সোনাগাজীর আলো ডেস্ক>>>>>>>>>>>>>>>
নির্ধারিত সময়ের তিন বছর পর শনিবার সারা দেশ থেকে বিএনপি নেতাকর্মীরা ঢাকার ইনস্টিটিউশন অব ইঞ্জিনিয়ার্স ও সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের একাংশে আয়োজিত এই কাউন্সিলে মিলিত হচ্ছেন।
২০০৬ সালে ক্ষমতা ছাড়ার পর দুই দফায় সরকারবিরোধী আন্দোলনে গিয়েও সাফল্য পায়নি খালেদার দল। দশম জাতীয় নির্বাচন বর্জন করে বিএনপি এখন সংসদের বাইরে।
এরপর স্থানীয় সরকার নির্বাচনে পরাজয়ের দায় সরকারকে দিলেও বিভিন্ন সময়ে দলের সাংগঠনিক দুর্বলতা নিয়ে আক্ষেপ শোনা গেছে জ্যেষ্ঠ নেতাদের কথায়।
সেই দশা কাটিয়ে দলকে আন্দোলনের জন্য চাঙ্গা করতে খালেদা জিয়া কাদের নিয়ে কমিটি করবেন, কাদের বাদ দেবেন- সেই প্রশ্ন গত কয়েকদিন ধরে ঘুরছে নেতাকর্মী আর গণমাধ্যমের আলোচনায়।
আর কেউ প্রতিদ্বন্দ্বিতায় না আসায় টানা চতুর্থবারের মতো খালেদা জিয়া বিএনপি চেয়ারপারসনের পদে নির্বাচিত হয়ে গেছেন কাউন্সিলের আগেই। একইভাবে তার ছেলে তারেক রহমানও দ্বিতীয়বারের মতো দলের জ্যেষ্ঠ ভাইস চেয়ারম্যান হয়েছেন।
‘ভারপ্রাপ্ত’ মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে দিয়ে দীর্ঘদিন ধরে মহাসচিবের কাজ চালিয়ে আসা বিএনপি এবার একজন ‘পূর্ণাঙ্গ মহাসচিব’ বেছে নেবে কি না, স্থায়ী কমিটি, উপদেষ্টামণ্ডলী ও কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটি কতোটা বদলাবে- সেসব সিদ্ধান্তও শেষ পর্যন্ত চেয়ারপারসনের কাছ থেকেই আসবে।
দলের একজন জ্যেষ্ঠ নেতা বলেন, “নতুন কমিটি এমন হতে হবে যাতে সারাদেশ থেকে আসা নেতা-কর্মীরা একটা নতুন ভাবনা নিয়ে নিজ নিজ এলাকায় ছড়িয়ে পড়তে পারে। সে বিষয়টি যেমন দলীয় প্রধানকে দেখতে হচ্ছে, তেমনি পদ প্রত্যাশী নেতাদের বাছাই করে সঠিক নেতৃত্ব নির্বাচন তাকেই করতে হচ্ছে। এটা একটা চ্যালেঞ্জ।”
ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর অবশ্য এই চ্যালেঞ্জ জয়ের ব্যাপারে আশাবাদী।
তিনি বলেন, ‘এক-এগারোর পর থেকে জাতীয়তাবাদী শক্তির প্রতীক বিএনপির শীর্ষ নেতৃত্বের ওপর নির্যাতন চলছে। হাজার হাজার নেতা-কর্মীর বিরুদ্ধে মামলা-হুলিয়া। নিখোঁজ-গুম করে নেওয়ার মতো ঘটনার হিসাব অনেক দীর্ঘ। তারপরও বিএনপির নেতা-কর্মীদের দমিয়ে রাখা যায়নি। ফিনিক্স পাখির মতোই তারা আবার জেগে উঠেছে।”
