
বিশেষ প্রতিনিধি>>>>>>>>
বিএনপি-জামায়াত কে পৃষ্টপোষকতা,সরকারী বরাদ্ধের তসরুফ,ক্ষমতার অপব্যাহারের অভিযোগে স্ব-দলীয় নেতাকর্মীদের তোপের মুখে পড়েছে উপজেলার নবাবপুর ইউনিয়নের ১ নং ওয়ার্ডের আওয়ামীলীগ সভাপতি ও ইউপি সদস্য আব্দুল গফুর।নেতা কর্মীদের তোপের মুখে পালিয়ে রক্ষা পান এই আওয়ামীলীগ নেতা।রবিবার দুপুরে নবাবপুর বাজার সংলগ্ন স্থানে এ ঘটনা ঘটে।দলীয় ও স্থানীয় সুত্রে জানা যায়,দির্ঘদিন যাবৎ আব্দুল গফুেরর বিরুদ্ধে স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের বিএনপি সমর্থিত চেয়ারম্যান জহিরুল আলম সহ বিএনপি জামায়াত সমর্থকদের পৃষ্টপোষকতা করা,সরকারী বরাদ্ধের তসরুফ ও ক্ষমতার অপব্যাবহার করে দলীয় নেতাকর্মীদের হয়রানীর অভিযোগ রয়েছে।এ নিয়ে স্থানীয় নেতাকর্মীরা তার উপর ক্ষুব্ধ হয়ে উঠে।গত কয়েক দিনে গফুর আসন্ন ইউপি নির্বাচন কে সামনে রেখে দলীয় মনোয়ন প্রত্যাশীদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অপপ্রচার করে বলে জানান ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক নেছার উদ্দিন টিপু।স্থানীয়রা জানান ঘটনার সময় আব্দুল গফুর নবাবপুর বাজার থেকে বাড়ী যাওযার পথে বঙ্গবন্দু পরিষদ সংলগ্ন স্থানে পেীঁচলে পূর্ব থেকে পরিষদে অবস্থান করা ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সহ সভাপতি ও আওয়ামীলীগের চেয়ারম্যান মনোয়ন প্রত্যাশী গিয়াস উদ্দিন সুমন,৬ নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সম্পাদক রসুল আহাম্মদ মানিক সহ ১৫/২০ জন নেতাকর্মী তাকে পরিষদের ভিতরে ডেকে নিয়ে দলের বিরুদ্ধে অপপ্রচার না করার অনুরোধ করে।এ নিয়ে তাদের মধ্যে বাকবিতন্ডা শুরু হলে উপস্থিত নেতাকর্মীদের তোপের মুখে পালিয়ে রক্ষা পায় আব্দূল গফুর।তবে এ বিষয়ে স্থানীয় চেয়ারম্যান জহিরুল আলম মুঠো ফোনে ইউপি সদস্য গফুর কে আওয়ামীলীগ নেতা সুমন,মানিক,টিপু লাঞ্চিত করেছে বলে অভিযোগ করেন।কিন্তু গফুরের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি সোনাগাজীর আলো কে জানান,চেয়ারম্যানের সাথে যোগাযোগের কথা বলে তাকে লাঞ্চিত করার চেষ্টা করলেও উপস্থিত নেতা কর্মীদের বাধার কারনে তাহা সম্ভব হয়নি।তিনি আরও জানান শনিবার সন্ধ্যায় তিনি তার বিরুদ্ধে মিথ্যা অপপ্রচারকারীদের বিরুদ্ধে ব্যাবস্থা নেওয়ার জন্য কামরুল আনাম সহ দলীয় নেতাদের অবহিত করেন।তিনি তার বিরুদ্ধে আনিত সকল অভিযোগ অস্বিকার করেন।ঘটনার বিষয়ে নবাবপুর ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি ও সাবেক চেয়ারম্যান দেলোয়ার হোসেন জানান,গফুর ভাই আমাদের বর্ষিয়ান ত্যাগি নেতা। তার সাথে দলীয় নেতাকর্মীদের সামান্য ভুল বুঝাবুঝির সৃষ্টি হয়েছে।কিন্তু এটাকে পুজি করে এলাকার কিছুু কুচক্রী সংবাদ কর্মীদের ভুল তথ্য দিয়ে ইচ্ছাকৃতভাবে আওয়ামীলীগ নেতা সুমন,টিপু,মানিককে সন্ত্রাসী বলে অপপ্রচার করছে।আমি ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের পক্ষ থেকে এ ধরনের মিথ্যা অপপ্রচারের তীব্র নিন্দা জানাই।
