
আবুল হোসেন রিপন >>>>>
সোনাগাজীতে যুবলীগ নেতা জসিম উদ্দিন হত্যা মামলার বাদী চর দরবেশ ইউনিয়নের ৯ নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক হোসেন আহাম্মদ (৪০) কে শ্লীলতাহানির মামলায় ফাঁসানোর অভিযোগ উঠেছে হত্যা মামলার আসামীদের বিরুদ্ধে। রবিবার গভীর রাতে উপজেলার আদর্শ গ্রাম থেকে হোসেন কে আটক করে পুলিশ। স্থানীয় এলাকাবাসী ও হোসেনের পরিবার জানান, ২০১৪ সালের ১ জুন ওই ওয়ার্ডের যুবলীগের সভাপতি জসিম কে হত্যা করে বিএনপি সমর্থিত জলদস্যুরা। প্রথমে নিহত জসিমের স্ত্রী জলদস্যু বাগিনা কালাম ও শেখ ফরিদসহ ১২ জনের নাম উল্লেখ করে মডেল থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করে। পরবর্তীতে ভাই হত্যার বিষয়ে আওয়ামীলীগ নেতা হোসেন একটি সম্পুরক অভিযোগ দায়ের করে। পুলিশ তদন্ত শেষে জলদস্যু কমান্ডার বাগিনা কালাম , শেখ ফরিদ ও ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সভাপতির বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করে। স্থানীয়রা জানান, মামলা তুলে নিতে রাজি না হওয়ার কারনে আসামীরা ২০১৫ সালের ৫ জানুয়ারী হোসেন কে গুলি করে হাত ও পায়ের রগ কেটে দেয়। এতে সে চিরতরে পঙ্গু হয়ে যায়।গত কিছুদিন যাবৎ ভাই হত্যা মামলা আসামীরা হোসেন কে পুনরায় মামলা তুলে নিতে চাপ প্রয়োগ করে। মামলা তুলে নিতে পূর্বের মত অ¯ী^কার করলে আসামীরা পুলিশের যোগসাজসে তাকে শ্লীলতাহানির চেষ্টার মামলায় ফাঁসিয়ে দিয়ে গ্রেফতার করায়। তবে পুলিশ জানায়, ওই দিন দিবাগত রাতে মাতাল অবস্থায় হোসেন আহাম্মদ ওই এলাকার একটি ঘরে ঢুকে এক গৃহবধুকে শ্লীলতাহানির চেষ্টা করে। এসময় তার চিৎকারে স্থানীয়রা এসে তাকে হাতেনাতে আটক করে। পরে পুলিশ এসে তাকে আদর্শ গ্রাম পুলিশ ফাঁড়িতে নিয়ে যায়।ঠিক কি অবস্থায় শারীরিকভাবে পঙ্গু আওয়ামীলীগ নেতা হোসেন শ্রীলতাহানির চেষ্টা করেছে তার কোন সঠিক ব্যাখ্যা পুলিশ ফাঁড়ির এসআই জিলানি জানাতে পারেনি। যে গৃহবধুর শ্লীলতাহানির অভিযোগ উঠেছে তার সাথে মডেল থানার সামনে কথা বলে জানতে চাইলে সে কোন কিছু জানাতে অপারগতা প্রকাশ করে। এ বিষয়ে জানতে চাইলে জসিম হত্যা মামলার আসামী শেখ ফরিদ জানান , হোসেন চিহ্নিত মাদক সেবক । সে কখন কোথায় কি করে সকলের জানা আছে । তবে তাকে মামলায় ফাসানো অভিযোগ মিথ্যা। সোনাগাজী আদর্শ গ্রাম পুলিশ পাড়ির ইনচার্জ গোলাম জিলানী জানান, লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে তাকে আটক করা হয়েছে।
