
সোনাগাজী প্রতিনিধি
সোনাগাজী উপজেলার নবাব পুর ইউনিয়নের সুলতানপুর গ্রামের সংখ্যালঘু পরিবারের উপর হামলার ঘটনায় রবিবার সকালে ফেনী আদালতে আহত মিনা রানী শর্মা বাদী হয়ে মতি লাল শর্মাকে প্রধান আসামী করে তার সহযোগী ৫ জনের নাম উল্লেখ করে একটি মামলা দায়ের করেন। এসময় শুনানী শেষে ফেনী আমলী আদালত-৩ এর ম্যাজিস্ট্রেট দেলোয়ার হোসেন সোনাগাজী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে মামলা তদন্ত সাপেক্ষে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেন। মামলায় অপর আসামীরা হলেন রিপন শর্মা , সাগর শর্মা , ও ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাধারন সম্পাদক রাজু, বিসি লাহা কলেজ ছাত্রলীগের সভাপতি শিহাব উদ্দিন, ও ছাত্রলীগ নেতা রাকিব। প্রসঙ্গত, গত বুধবার বিকালে ওই গ্রামের বড় শীল বাড়ীর মৃত রবিন্দ্র দাসের পরিবারের উপর হামলা চালিয়েছে রাজু ও শিহাব উদ্দিনের নেতৃত্বে স্থানীয় যুবলীগ ছাত্রলীগের ৮/৯জন অস্ত্রধারীরা। জানা যায়, পূর্ব শত্রুতার বিরোধ নিষ্পত্তি করতে বুধবার বিকাল ৪টায় মতি লাল শর্মার পক্ষে স্থানীয় ইউনিয়ন আ’লীগের সভাপতি দেলোয়ার হোসেন ও মিনা দাসের পক্ষে সাধারন সম্পাদক রুপম শর্মার নেতৃত্বে শালীশি বৈঠক বসে। বৈঠকে তাদের উভয়ের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয় । এক পর্যায়ে মতি শীলের ছেলে নিপুনের তার বন্ধু ওইসব শসস্ত্র ছাত্রলীগ নেতাদের ডেকে এনে মিনা দাসের পরিবারের উপর হামলা চালায় । এ সময় তাদের হামলায় মিনা রানী (৫৫), তার জা ছায়া রানী (৪৫), রাজিব ও তার ছেলে সঞ্জয় দাস (৩০) গুরুতর আহত হয়। পরে স্থানীয়রা তাদের কে উদ্ধার করে ফেনী সদর আধুনিক হাসপাতালে ভর্তি করে। এ ব্যাপারে সাবেক চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন আ’লীগের সভাপতি দেলোয়ার হোসেন জানান , তাদের দীর্ঘ দিনের জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলছে । নিষ্পত্তির জন্য আমরা বৈঠকে বসেছিলাম । প্রতিপক্ষকে মামলায় জাড়াতে হামলার নাটক সাজিয়েছে সঞ্জয়ের পরিবার। সঞ্জয় জানান, মামলা থেকে বাঁচতে একইতিন প্রতিপক্ষ তাদের বিরুদ্ধে আদালতে একটি মামলা দায়ের করেছে।
