
০৭ আগষ্ট ২০১৬,২১:৩৮:২১
বিশেষ প্রতিনিধি:-সোনাগাজী উপজেলা ছাত্রলীগের সিনিয়র সহসভাপতি আব্দুল জলিল ও চরদরবেশ ইউনিয়নর ৩ নং ওয়ার্ডের আওয়ামী সমর্থক নবনির্বাচিত ইউপি সদস্য দেলোয়ার হোসেন সহ ০৬ বিরুদ্ধে ফেনীরর আদালতে অপহরনের মামলা দায়ের করেছে আলি আহাম্মদ সুমন নামের এক ব্যাক্তি।সুমন চরদরবেশ ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ন আহবায়ক এবং কথিত অপহরনের শিকার রাশেলের বড় ভাই।০১ আগষ্ট ফেনীর চীপ জুড়িশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতে তিনি মামলাটি দায়ের করে।আদালত অভিযোগ তদন্ত করার জন্য ওসি সোনাগাজী মডেল থানাকে আদেশ দিয়েছেন।মামলার বিষয়ে বাদির সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন,চরদরবেশ ইউনিয়নের চরসাহাভিকারি গ্রামের বাসিন্দা আসামী হেলাল উদ্দিন,দেলোয়ার হোসেন,আব্দুল জলিল,আনোয়ার হোসেন,ইমাম উদ্দিন,মোশারফ হোসেন পরস্পর যোগসাজসে তার ছোট ভাইয়ের বিরুদ্ধে এলাকার একটি মেয়ের সাথে প্রেমের সম্পর্কের অভিযোগ আনে। তারা মেয়েটিকে আমার ভাই বিয়ে করতে হবে বলে চাপ সৃষ্টি করে।কিন্ত আমার ভাই তাদের প্রস্তাবে রাজী না হওয়ায় আসামীরা তাকে জোরপুর্বক মেয়েটির সাথে বিয়ে দেওয়ার জন্য অপহরন করে।তিনি দাবী করেন অপহরনের পর থেকে তার ভাইকে এখনো খুঁজে পাওয়া যায়নি।

তবে তিনি কেন থানায় অভিযোগ না করে আদালতে গেলেন এমন প্রশ্নের জবাব এড়িয়ে যান।ঘটনাটির বিষয়ে সরজমিনে জানা যায়,চরসাহাভিকারি গ্রামের আব্দুল হালিমের ছেলে রাশেল(২০) গত কয়েক বছর ধরে ওই গ্রামের রুবিনা আক্তার(ছদ্ধ নাম) এর সাথে প্রেমের সম্পর্ক তৈরী করে। মেয়েটির মামা মামলায় প্রধান অভিযুক্ত হেলাল উদ্দিন জানান,রাশেল কে বহুবার নিষেধ করা হয়েছিল রুবিনাকে বিরক্ত না করতে কিন্তু সে শোনেনি।এমনকি তার পরিবার কে বিষয়টি অবহিত করা হলেও তারা কোন কর্নপাত করেনি।একপর্যায়ে রাশেল হাতেনাতে ধরা পড়লে সে মেয়েটিকে বিয়ে করবে বলে জানায়।তার পরিবার সামাজিকভাবে বিয়ের কথা বলে রাশেল কে নিয়ে যায়।এ ঘটনার কিছুদিন পর রাশেলের পরিবার রাশেলের সাথে মেয়েটির বিয়ে দিতে অপরাগতা প্রকাশ করে এবং রাশেল কে আত্মগোপনে রাখে।ঘটনার সময় রাশেল এলাকায় এলে এলাকার লোকজন তাকে ডেকে এনে মেয়েটির বাড়ীতে নিয়ে যায়।স্থানীয়রা জানান, রাশেলের পক্ষ নিয়ে ওই ওয়ার্ডের সাবেক ইউপি সদস্য রাজাকার নুর ইসলাম, বিএনপি নেতা আবু জাপর ও প্রভাবশালী কয়েক ব্যাক্তি ষড়যন্ত্রে মেতে উঠে।তারা সম্রম হারানো মেয়েটির কথা বিবেচনা না করে টাকার বিনিময়ে ছেলেটির পক্ষে অবস্থান নেয়।মুলত তাদের ফোসলানিতে রাশেলের ভাই মিথ্যা মামলা দায়ের করে।স্থানীয় ইউপি সদস্য দেলোয়ার বলেন,নিজের ভাইকে বাঁচানোর জন্য সুমন আমাদের নামে মিথ্যা মামলা দায়ের করে।আমরা সম্রম হারানো মেয়েটির পক্ষে শালিসে কথা বলায় আমাদের কে হয়রানি করার চেষ্টা করছে।ছাত্রলীগ নেতা জলিল জানান,সামাজিকভাবে ছেলেটির সাথে মেয়েটির বিয়ে দেওয়া হয়েছে কিন্তু ছেলের পরিবার কাবিন করতে অস্বীকার করায় আমরা ছেলেটিকে ডেকে এনে কারন জিজ্ঞাসা করেছি।এসব বিষয়ে মডেল থানা অবগত রয়েছে।ষড়যন্ত্র করে লাভ হবেনা।আমরা অসহায় মেয়েটির পক্ষে আছি।তিনি রাশেল নামের কাউকে অপহরনের সাথে জড়িত থাকার কথা অস্বীকার করেন এবং বিষয়টি মিথ্যা, বানোয়াট ও উদ্যেশ্যপ্রনোদিত বলে দাবী করেন।
