
18 august 2016,16:20:12
বিশেষ প্রতিনিধ:-গত কয়েক দিনে ফেসবুক সহ বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে মসজিদে জাতির জনকের ছবি সম্বলিত ব্যানার টাঙ্গিয়ে জাতীয় শোক দিবস পালনের ছবিটি ভাইরাল হয়ে পড়েছে।ছবিটা দেখে প্রথমে খটকা লাগলেও অনুসন্ধানে চাঞ্চল্যকর তথ্য বেরিয়ে আসে।সরকারী সিদ্ধান্তের কারনে দেশের প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান জাতির জনকের শাহাদাত বার্ষীকির দিন ১৫ আগষ্ট জাতীয় শোক দিবস পালন করে।আর এ সুযোগো নরসিংদি জেলার জামিয়া কাসেমিয়া কামিল মাদ্রাসা কতৃপক্ষ অবিবেচক ঘটনাটি ঘটায়।তারা মাদ্রাসার মসজিদে জাতির জনকের ছবি সম্বলিত ব্যানার টাঙ্গিয়ে শোক দিবস পালনের অনুষ্ঠান করে।মাদ্রাসাটি প্রতিষ্ঠা করেন জামাতের নায়েবে আমির যুদ্ধাপরাধের দায়ে আমৃত্যু কারাদন্ড প্রাপ্ত দেলওয়ার হোসেন সাঈদীর বেয়াই ও জামাতের রুকন কামাল উদ্দীন জাফরী। এ জাফরির বিরুদ্ধে তার পিএস এর বউকে ভাগিয়ে নিয়ে বিয়ে করা সহ অসংখ্য প্রতারনার অভিযোগ রয়েছে।মাদ্রাসাটির অধ্যক্ষ সহ সব শিক্ষক জামাতের রাজনীতির সাথে জড়িত বলে জানা গেছে।ছবিতে মসজিদে মাইক হাতে যে ব্যাক্তি বক্তব্য রাখছেন তিনি মাদ্রাসার অধ্যক্ষ।সে নরসিংদি জেলা জামাতের রুকন।সবচেয়ে অবাক বিষয় হলো ছবিটি তারাই ফেসবুকে প্রচার করে।এই ঘটনাকে কেন্দ্র করেই জামাত বিএনপি অপপ্রচার করে বঙ্গবন্ধু এবং আওয়ামীলীগকে প্রশ্নবিদ্ধ করার চেষ্টা করে যাচ্ছে। অথচ ছবির সকলেই জামাত শিবির সংগঠনের নেতাকর্মী।স্থানীয় আওয়ামীলীগ নেতারা জানান ইচ্ছাকৃতভাবে মাদ্রাসার জামায়াত সমর্থক শিক্ষকেরা ঘটনাটি ঘটায়।যাতে করে জাতীর জনক কে কলংকিত করা যায়।যে কাজটি তারা ৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধে পরাজিত হয়ে শুরু করে।তারাতো মসজিদে শোক দিবস পালন না করে মাদ্রাসায় করতে পারতো।এ বিষয়ে মাদ্রাসাটির অধ্যক্ষের সাথে একাধীকবার যোগাযোগ করেও তার বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।
