
সোনাগাজী প্রতিনিধি: সোনাগাজী উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সহ-সভাপতি ও ২নং বগাদানা ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক কামরুজ্জামান সাহাদাতকে মিথ্যা মামলা জড়িয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। জানাযায়, গত১৭জুন জুমার নামাজের সময় পূর্ব শত্রুতার জেরধরে কাজিরহাট বাজারে বিটু চেয়ারম্যানের ভাতিজা রাজু ও কথিত থানার দালাল বোরহান মধ্যে মারামরি হয়। মারামারির এক পর্যায়ে রাজুর পক্ষে মাঈন উদ্দিন ও বোরহানের পক্ষে সুমন, মান্না, আলাউদ্দিন এসে মারামারিতে জড়িয়ে পড়েন। তুচ্ছ ঘটনার মারামারি মামলার বাদি বোরহান উদ্দিন নাটকীয়ভাবে সোনাগাজী মডেল থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। মামলা নং ১৭/৯১, তাং ১৮-৬-২০-২০১৬। মারামরিতে একে অপরকে কিলঘুষি মারে বলে জানাযায়। বোরহান (৫৮) আউরার খিল গ্রামের মৃত আবু বক্কর ছিদ্দিকের ছেলে। রাজু (২৩) বগাদানা গ্রামের মৃত আবদুল মমিন টেইলালের ছেলে। মারামরির সময় ছাত্রলীগ নেতা কামরুজ্জামান সাহাদাত বগাদানা জামে মসজিদে জুমার আদায় করেন বলে স্থানীয়রা জানান। কিন্তু মামলার এজাহার সূত্রে জানাযায়, সে উক্ত মামলার ২নং আসামী। সরেজমিনে জানাযায়, পুর্ব শত্রুতার জেরধরে দুজনের মারামারি হয় বলে জানাযায়। কাজিরহাট বাজারের ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক আবদুল রাজ্জাক ভুঞার দোকানের সামনে এই মারামরির ঘটনা ঘটে। তিনি বলেন, মারামারির সময় কামরুজ্জামান সাহাদাত উপস্থিত ছিলেন না কিন্তু সে কিভাবে মামালার ২নং আসামী হয় আমারবোধ গম্য নয়। অন্যদিকে কাজিরহাট ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি মো. জসিম জানান, কামরুজ্জামান সাহাদাতের বিরুদ্ধে পরিকল্পিত ভাবে মামলা দিয়েছে থানার দালাল বোরহান। আমি এই মামলার সুষ্ট তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত অপরাধিদেরকে চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনার জন্য প্রশাসনের কাছে দাবি জানাচ্ছি। এদিকে এই মামলার এজাহার ভুক্ত ১নং আসামী রাজুকে মঙ্গলবার দুপুরে কাজিরহাট বাজার থেকে গ্রেফতার করেছে সোনাগাজী থানার পুলিশ।
