
21 august 2016
সৈয়দ মনির:-ফেনীর জেলার সোনাগাজী উপজেলার ছোট ফেনী নদীর মোহনায় মুছাপুর নামক স্থানে ২০০৮ সালে নির্মান করা হয় মুছাপুর ক্লোজার ড্যাম। ২০১৬ সালে ক্লোজার ড্যাম কার্যকর ও নদীর গতিপথ সোজা করে ক্লোজার ড্যামের মধ্য দিয়ে পানি প্রবাহিত করার লক্ষে ড্যামের ২ কিমি পুর্বে ছোট ফেনী নদীর উপর একটি বাঁধ নির্মান করা হয়।ওই বাঁধ থেকে বঙ্গোপসাগরের অপার জলরাশি দেখা যায় অনেকটা কক্সবাজারের সমুদ্র সৈকতের আদলে।
এই কারনে ওই বাঁধ ও ক্লোজার ড্যাম দেখার জন্য প্রতিদিন সোনাগাজীর হাজার হাজার লোকের সমাগম ঘটে। বাঁধটি সোনাগাজী উপজেলার সীমানায় নির্মান করা হলেও বাঁধ ও ড্যামটি নিয়ন্ত্রন করে নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ থানা পুলিশ।
সরেজমিনে দেখা যায়, প্রতিদিন শত শত নারী, পুরুষ, স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসার শিক্ষার্থী সহ হাজার হাজার দর্শনার্থী ওই বাঁধ ও ড্যাম দেখার জন্য ভিড় জমায়।এতে নববধু ও বাদ পড়ছেনা।

এ সুযোগকে কাজে লাগিয়ে কোম্পানীগঞ্জ থানা পুলিশ ও স্থানীয় কিছু প্রভাবশালী , ক্লোজার ও বাঁধের দু প্রবেশ মুখে বাঁশ বেধে দর্শনার্থীদের আটকিয়ে জন প্রতি ৫০ টাকা, মোটর সাইকেল প্রবেশ করলে ১০০ টাকা, সিএনজি সহ অন্যান্য যানবাহন থেকে ২০০ টাকা হারে চাঁদা আদায় করছে। আরো দেখা যায়, ক্লোজার ড্যামের পাশে জুয়ার আসর, অবৈধ দোকানপাট বসিয়ে হাতিয়ে নিচ্ছে মোটা অংকের টাকা।ক্লোজার ড্যাম সংলগ্ন কেওড়া বাগানে ও নতুন চরে দিন দুপুরে মাকদের আসর চলে। গনহারে চাঁদাবাজির কথা স্বীকার করে মুছাপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান শিপন চৌধুরী জানান, চাঁদাবাজী বন্ধে তিনি সর্বোচ্চ করে ব্যার্থ হয়েছেন। এসব বিষয়ে সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরকে একাধিকবার অবহিত করেছেন। তিনি প্রশাসনের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের হস্তক্ষেপ কামনা করেন। এ ব্যাপারে সোনাগাজী উপজেলা চেয়ারম্যান জেড এম কামরুল আনাম জানান, চাঁদাবাজির কথা শুনেছি, দ্রুত প্রয়েজনীয় ব্যাবস্থা গ্রহনের জন্য সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষের প্রতি অনুরোধ করছি।
কোম্পানীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সৈয়দ ফজলে রাব্বি, অচিরেই প্রয়োজনীয় ব্যাবস্থা নেবেন বলে জানালেও কাজের কাজ কিছুই হচ্ছেনা। নোয়াখালী পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহি প্রকৌশলীর সাথে বার বার মোবাইলে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি।

