Thursday, January 15সোনাগাজীর প্রথম অনলাইন পএিকা
Shadow

অনিয়ম ও দুর্ণীতির আখড়া ফেনী আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিস।। উপ-পরিচালক রেজাউলের বিরুদ্ধে দুদকে অভিযোগ

 

raw

০৬ সেপ্টেম্বর ২০১৬,  ১৫:৩৬:৪২

বিশেষ প্রতিনিধি:-ফেনীর আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসের উপ-পরিচালক রেজাউল হকের বিরুদ্ধে অনিয়ম ও দুর্ণীতির অভিযোগ এনে প্রতিকার চেয়ে দুদক চেয়ারম্যান বরাবর লিখিত অভিযোগ করেন এক ভুক্তভোগী। লিখিত অভিযোগের অনুলিপি পেয়ে বিষয়টি সরেজমিনে তদন্ত করে জানা যায়, ফেনী আঞ্চলিক পাসর্পোট অফিস যেন দুর্ণীতির আখড়া। সকল অভিযোগ উপ-পরিচালক রেজাউল হক ও তার পোষ্যদের বিরুদ্ধে। তিনি প্রতি আবেদনে সম্পুর্ণ বেআইনী ও এখতিয়ার বহিভূতভাবে আদায় করছে ১১০০ শত টাকা। এতে পাসর্পোট আবেদনকারীগন চরম ভাবে আর্থিক ক্ষতি গ্রস্ত ও হয়রানির শিকার হচ্ছে। তাহার রয়েছে বিশাল পোষ্য বাহিনী। টাকা আদায়ের জন্য ফেনীর বিভিন্ন ট্রাভেলস এজেন্সী গুলোকে দিয়াছে এক একটি সাংকেতিক চিহ্ন। সেই সাংকেতিক চিহ্নের হিসাবে মতে এজেন্সী থেকে কয়টি বই দৈনিক  জমা হয়েছে তার হিসাবে প্রতিটি আবেদনে ১১০০ টাকা দেয়া হয় রেজাউল হককে। পাসর্পোট অফিসে ক্যাশিয়ারের কোন পদ না থাকলে রেজাউল হক ২২শত টাকা বেতনে অলিখিত ক্যাশিয়ার নিয়োগ দিয়েছে বলে জানা গেছে। পাসপোর্ট অফিস সূত্র জানায়, গড়ে প্রতিদিন আবেদন জমা হয় ১৫০ থেকে ২০০টি। সেই হিসেবে রেজাউল হকের দৈনিক অবৈধ আয় প্রায় দেড় লক্ষ টাকা। সরকারের নির্ধারিত এম,আর,পি ডিজিটাল পাসপোর্টের নির্ধারিত ফিস সাধারণ ৩৪৫০, অতি জরুরী ফিস ৬৯০০ টাকা। কিন্তু একজন পাসপোর্ট আবেদনকারীকে গুনতে হচ্ছে ৬০০০ টাকা। অতিব জরুরী ১০ হাজার থেকে ১০৫০০ টাকা। এজেন্সীর বাইরে কোন আবেদনকারী তাহার আবেদন জমা দিতে গেলে সত্যায়িত ভূয়া বলে বিভিন্ন উচিলায় ফাইল ফিরিয়ে দেয়। আবেদনের সাথে রেজাউল হকের প্রদানকৃত সাংকেতিক চিহ্ন থাকলে আবেদন ফরমে ভূল থাকলেও সেই ফাইল গ্রহণ করার অভিযোগ রয়েছে। এই ভাবে প্রতিনিয়ত পাসপোর্ট আবেদনকারীরা চরমভাবে হয়রানরি শিকার হচ্ছে। তাছাড়া রেজাউল হকের পোষ্যরা পাসপোর্ট আবেদনকারীর মোবাইলে ফোন করে জানায় আপনার আবেদন ভূল হয়েছে এবং ঠিক করতে হলে ২/৩ হাজার টাকা লাগবে ও অফিসে যোগাযোগ করতে বলে। অফিসে আসলে তারা টাল বাহানা শুরু করে রেজাউল হকের সাথে দেখা করতে বলে। তার নিকটে গেলে সে অন্য অফিসারের কাছে যাওয়ার জন্য পরামর্শ দেয়। তখন আবেদন ফাইলে সমস্যার কথা বলে  ১০০০ থেকে ১৫০০ হাজার টাকা আদায় করে নেয়। এইসব অভিযোগের বিষয়ে উপ-পরিচালক মোঃ রেজাউল হকের মোবাইলে ফোন করলে তিনি জানান, আপনার সাথে মোবাইলে কোন কথা বলবো না, সরাসরি অফিসে চা খেতে আসেন বলে ফোন কেটে দেয়। তার বিরুদ্ধে দুদকে অভিযোগকারী অভিযোগের অনুলিপি ফেনী জেলার প্রেসক্লাব গুলোর সভাপতি-সম্পাদক বরাবর প্রেরণ করে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *