Thursday, January 15সোনাগাজীর প্রথম অনলাইন পএিকা
Shadow

কাশেম সাব অ্যা গেয়া, পরিবারকে ডেকেছে কারা কর্তৃপক্ষ

IMG_20160903_125132mir-kashem-696x228

সেপ্টেম্বর ৩, ২০১৬

নিজস্ব প্রতিবেদক:৭১ সালে চট্রগ্রামের ডালিম হোটেল ছিলো মুক্তিযোদ্ধাদের টর্চার ক্যাম্প।এখানে মুক্তিযোদ্ধাদের ধরে এনে বন্দি রাখা হতো।এ টর্চার ক্যাম্পের প্রধান ছিলেন রাজাকার কমান্ডার ও তৎকালীন ইসলামী ছাত্র সংঘের চট্রগ্রাম মহকুমার সভাপতি মীর কাশেম আলী।এই কাশেম যখন ডালিম হোটেলে যেতো তখন রাজাকার সদস্য ও হানাদার সৈন্যরা বলতো বন্দিরা সবাই সাবধান কাশেম সাব অ্যা গ্যায়া।পরাজয় অনুমান করে কাশেম আলী পালিয়ে বার্মা হয়ে সৌদি আরব চলে যায়।দেশ স্বাধীন হলে লন্ডনে রাজাকার শিরোমনি গোলাম আযম যে পাকিস্থান পুনরুদ্ধার কমিটি করেছে তার সহ অর্থ বিষয়ক সম্পাদক ছিলেন কাশেম আলি।কাশেম সে সময় দন্ডিত যুদ্ধাপরাধী ও কমিটির অর্থ সম্পাদক মতিউর রহমান নিজামী বঙ্গবন্দু শেখ মজিব সরকার দেশে ৪০ হাজার মসজিদ ভেঙ্গে পেলেছে মিথ্যা অপপ্রচার চালিয়া প্রায় মসজিদ নির্মানের জন্য প্রায় সাড়ে সাত হাজার কোটি টাকার ফান্ড সংগ্রহ করে।৭৫ সালে পটপরিবর্তনের পর তারা দেশে এসে সেই টাকা দিয়ে জামাতের ভিত্তি মজবুত করার জন্য হাসপাতাল সহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলে।জিয়াউর রহমান জামাত কে নিষিদ্ধ থেকে রাজনীতি করার সুযোগ দিলে কাশেম আলী ছাত্র শিবিরের সভাপতি নির্বাচিত হন।এসব তথ্য উঠে এসেছ ট্রাইবুনালের রায়ে।।।মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত জামায়াত নেতা মীর কাসেম আলীর সঙ্গে সাক্ষাতের জন্য তার পরিবারের সদস্যদের ডেকেছে কারা কর্তৃপক্ষ।
কর্তৃপক্ষের ডাকার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন তার মেয়ে সুমাইয়া রাবেয়া। তিনি বলেছেন, বিকেল সাড়ে ৩টার মধ্যে তাদের দেখা করতে বলা হয়েছে।
সে অনুযায়ী পরিবারের ২২-২৩ সদস্য কাশিমপুরে কারাগারে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন বলেও জানিয়েছেন সুমাইয়া।
জামায়াতের অর্থের যোগানদাতা হিসেবে পরিচিত কাসেম শুক্রবার প্রাণভিক্ষা না চাওয়ার সিদ্ধান্ত জানিয়ে দেওয়ায় তার ফাঁসি কার্যকর করতে এখন কেবল সরকারের সিদ্ধান্তের অপেক্ষা।
রেওয়াজ অনুযায়ী মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের আগে আসামির সঙ্গে শেষবার দেখা করতে দেওয়া হয় পরিবারের সদস্যদের। এর আগে মানবতাবিরোধী অপরাধের দণ্ডিত বাকিরাও একই সুযোগ পেয়েছেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *