এম এ হাসান: প্রকাশ ২২সেপ্টেম্বর ১৬ বৃহষ্পতিবার ০৯:০০
![]()
পরশুরামের কহুয়া নদীর ওপর নির্মিত বেড়াবাড়িয়া রাবার ড্যাম হতে পারে আধুনিক বিনোদন কেন্দ্র। রাবার ড্যামের নির্মাণশৈলী দৃষ্টিনন্দন। প্রতিদিন দূর-দূরান্ত থেকে বহু দর্শনার্থী ছুটে আসেন বেড়াবাড়িয়া রাবার ড্যামে। জানা যায়, উপজেলার বেড়াবাড়িয়া গ্রামের কহুয়া নদীতে ২০০৭ সালে বন্যা নিয়ন্ত্রণ ও পানি নিষ্কাশনের জন্য প্রায় ৫ কোটি টাকা ব্যয়ে প্রায় ৫০ মিটার দৈর্ঘ্যের রাবার ড্যামটি নির্মাণ করা হয়। ড্যাম প্রকল্পে ১টি ফুট ওভার ব্রিজ, ৩শ’ মিটার বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ, ১টি ডাইভারশান চ্যানেল খনন ও ১টি পাম্পও নির্মাণ করা হয়। রাবার ড্যামটি নির্মাণের ফলে বেড়াবাড়িয়া, সাতকুচিয়া, কোলাপাড়া, সলিয়া, বাশপদুয়া, উত্তর গুথুমা গ্রাম বন্যার হাত থেকে রক্ষা পাচ্ছে। বন্যা নিয়ন্ত্রণ ছাড়াও শুষ্ক মৌসুমে সেচ সুবিধার সুযোগ পাচ্ছে কৃষকরা। বন্যা নিয়ন্ত্রণ ও পানি নিষ্কাশনের জন্য ড্যামটি নির্মিত হলেও অনেকের কাছে এটি দর্শনীয় স্থান। স্থানীয় হেলাল উদ্দিন সোনাগাজীর অালোকে জানান, রাবার ড্যামটি নির্মাণের পর এটির সঠিক রক্ষণাবেক্ষণ করা হচ্ছে না। এটির সঠিক রক্ষণাবেক্ষণ করে কহুয়া নদীর পাড়ে বিনোদনের সামগ্রী স্থাপন করলে এটি একটি আধুনিকমানের বিনোদন কেন্দ্রে পরিণত হবে। পরশুরাম পৌরসভার মেয়র নিজাম উদ্দিন আহমেদ চৌধুরী সাজেল বলেন, বন্যা নিয়ন্ত্রণ ও পানি নিষ্কাশনে রাবার ড্যামটি কার্যকর ভূমিকা রাখছে। এছাড়া এটি একটি দর্শনীয় স্থানেও পরিণত হয়েছে। রাবার ড্যামের নান্দনিক নির্মাণ, ড্যামের ওপর দিয়ে পানি যাওয়া দেখতে অনেকে দূর-দূরান্ত থেকে ছুটে আসছেন ড্যামটি দেখতে। রাবার ড্যাম প্রকল্পটি পরিণত হয়েছে একটি দর্শনীয় স্থানে। সঠিক রক্ষণাবেক্ষণ ও উপযুক্ত পরিবেশ তৈরির মাধ্যমে বেড়াবাড়িয়ার রাবার ড্যামও হতে পারে একটি আধুনিকমানের বিনোদন কেন্দ্র।
সম্পাদক /সৈয়দ মনির।
