Wednesday, January 14সোনাগাজীর প্রথম অনলাইন পএিকা
Shadow

বাঙ্গালী শুয়োর কা বাচ্চা?

 

img_20160923_152833

বাঙ্গালীকে গালমন্দ করার জুলফিকার ভুট্টোর সেই ভিডিও

২৩ সেপ্টেম্বর ১৬

আবুল হোসেন রিপন: বাঙ্গালী শুয়োর কা বাচ্চা প্রকাশ্য জনসভায় বাঙ্গালীদের আরো জগন্য গালমন্দ করতেন পাকিস্থানের তৎকালীন রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ।শুধু কি তাই সেই ধারাবাহিকতয় পশ্চিম পাকিস্থানের সামরিক বাহীনি ৭১ সালে বাঙ্গালীদের উপর শতাব্দির নিষ্ঠুরতম বর্বরতা চালায়।পৃথীবিতে মুসলমান জাতী প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর ৭১ সালর মত একসাথে এত মুসলমান গনহত্যার শিকার হয়েছে এমন নজীর দ্বীতিয়টা নেই।পাকিস্থানের স্বৈরশাষকদের নিষ্ঠুরতার হাত থেকে রক্ষা পেতে বাঙ্গালীরা যখন স্বাধীনতা দাবী করলো ঠিক তখন মুসলমান নামধারী পাকি শাষকেরা শতাব্দির ভয়ংকর বর্বরতা চালিয়ে ৩০ লাখ বাঙ্গালী হত্যা করলো।হত্যাকান্ডের শিকারদের মধ্যে ২৭ লাখ ছিলো বাঙ্গালী মুসলমান আর বাকিরা বাঙ্গালী হিন্দু।সেই পাকিদের যখন দেখি মুসলমানদের জন্য মায়া কান্না করতে তখন বিবেক বলে উঠে অনন্ত তুমি আর কেঁদোনা।ঘটনার এখানে কি সমাপ্তি? সেটা ভাবার কারন দেখিনা।বাংলাদেশ সৃষ্টি হওয়ার পর বর্তমান পাকিস্থানে বেলুচিস্থানের নাগরিকেরা যখন স্বায়ত্বশাষন চাইলো সেই পাকি শাষকদের উত্তরাধীকারিরা বাঙ্গালী নিধনের একই কায়দায় তাদের উপরও বর্বরতা চালিয়েছে।আফগান সিমান্তে উপজাতীয় এলাকায় পাকি শাষকেরা যুক্তরাষ্ট্র কে ড্রোন হামলা চালিয়ে হাজার হাজার নীরিহ মুসলমান হত্য করে তখন তাদের মুসলিম বিবেক জেগে উঠেনা।পাকি সামরিক শাষকেরা তাদের গদি টিকিয়ে রাখতে ৪৭ সালের পর ইচ্চাকৃতভাবে মৌলবাদ জম্ম দিয়ে পুরো উপমহাদেশ কে অস্থির রেখেছে।আর আমরা বোকা মুসলমানেরা পাকি শাষকদের মনোবাসনা পুরন করতে তাদের সাচ্চা মুসলমানের সার্টিফিকেট দিয়ে যাচ্চি।তাদের সৃষ্ট মৌলবাদের কারনে পাকিস্থানের সাধারন জনগন সুইসাইড বোমার ভয়ে নামাজ আদায় করতে ভয় পায়।তাদের কারনে মুসলমানেরা জঙ্গীর তকমা পাচ্চে।স্বাধীনতার ৪৫ বছর পরও পাকিস্থানিরা কি তাদের মনোভাব একটু বদলিয়েছে? যে সব বাঙ্গালী মধ্যপ্রাচ্য প্রবাসে আছে যারা পাকিদের সাথে চাকুরী করছে তাদের বক্তব্য আমলে নিলে একবাক্যে বলা যায় পাকি তাদের ৭১ পুর্ববর্তী মনোভাব একটু বদলায়নি।এত কিছুর পরও কিছু বাঙ্গালী যারা ৭১ সালে পাকিদের নিষ্ঠুরতার পক্ষে থেকে বাঙ্গালীদের বিপক্ষে নিষ্ঠুরতায় অংশগ্রহন করে তারাই এখনো পাকিদের সমর্থন করছে।তাদের ওরসজাতেরাও পিছিয়ে থাকেনি।বলি মুসলমান তুমি কত অভাগা জাতী তোমাকে হত্যা করে কিভাবে প্রতারকেরা তোমার প্রেমিক সেজে আছে।ভিডিওটিতে দেখতে পাবেন কিভাবে ৭০ সালের নবেম্বরে করাচিতে প্রকাশ্য জনসভায় তৎকালীন পাকিস্থানের প্রধানমন্ত্রী জুলফিকার ভুট্টো বাঙ্গালীদের বিষেধাগার করছে।প্রসঙ্গত ৩০ কোটি মুসলমানসহ ১২০ কোটি জনসংখ্যার ভারতে কাশ্মির নিয়ে উত্তেজনা চলছে।ভারতের সেনা ঘাটিতে হামলার কারনে ভারত- পাকিস্থান প্রায় যুদ্ধের ধারাপ্রান্তে।ভারত সরকার কাশ্মিরি জনগনের উপর নি:সন্দেহে নির্যাতন চালাচ্চে।এতকিছুর পরও কাশ্মিরি জনগন ভারতের অধিনে শান্তিপুর্নভাবে বসবাস করছে।সেনা ঘাটিতে হামলার জন্য ভারত কিন্তু কাশ্মিরিদের দোষারোপ করেনি।ভারত এ হামলার জন্য পাকিস্থানের লস্কর ই তৈয়বা নামক জঙ্গী গোষ্টিকে দায়ী করেছে যারা এরপুর্বে মুম্বাই হামলার সাথে জড়িত ছিলো।কিন্তু পাকিস্থান সেনাঘাটিতে হামলার জন্য কাশ্মিরিদের দায়ী করে।লক্ষ লক্ষ মুসলমান হত্যার জন্য যারা দায়ী সেই পাকিস্থান যখন কাশ্মিরি মুসলমান নির্যাতনের বিরুদ্ধে হাউমাউ করে তখন প্রশ্ন আসে পাকিরা আসলে কি চায়? পাকি সামরিক গোষ্টি কি তাদের গদি ঠিক রাখতে কাশ্মিরি জনগনের জন্য কথা বলছে নাকি আন্তর্জাতিক চাপে জঙ্গী কারখানা বন্দ করার মহড়া দিচ্চে?নির্যাতিত কাশ্মিরিদের জন্য ওআইসি সহ সকল মুসলিশ দেশ এগিয়ে এসে তাদের উপর ভারতীয় বর্বরতার প্রতিবাদ করা জরুরী।কাশ্মিরি জনগন কি চায় সে অনুযায়ী পথ বেচে নিতে সুযোগ দেওয়ার জন্য কুটনিতিক পন্থায় ভারতের উপর চাপ করা মুসলমানদের অগ্রারাধিকার বিষয় হওয়া উচিত।পাকিস্থান এ সমস্যার সাথে যোগ হওয়া মানে কাশ্মিরিদের দুর্দশা আরো বেড়ে যাওয়া।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *