
০২ সেপ্টেম্বর ২০১৬
আবুল হোসেন রিপন:-হাতে মেহেদীর রং এখনো ঠিকমত মুছেনি।স্বামীর সংসারে থেকে স্বপ্নময় পৃথীবিটাকে বুঝার আগে ঘাতক স্বামীর হাতে প্রান গেলো গৃহবধু নার্গিশ আক্তারের।নার্গিশ ফেনী সদরের লেমুয়া ইউনিয়নের নেয়ামতপুর গ্রামের শাহজাহানের কন্যা।গত ২১-০৪-১৬ তারিখে পারিবারীক ভাবে বিয়ে হয় ফরহাদনগরের কাটা মোবারক ঘোনা এলাকার ভুঞা বাড়ীর ছিদ্দিকুর রহমানের ছেলে আবু ইউচুপের সাথে।নার্গিশের পরিবার জানায়,বিয়ের কিছু দিন পর থেকে ইউচুপ ও তার পরিবারের লোকজন নার্গিশের উপর বিভিন্ন উচিলায় নির্যাতন শুরু করে।লোভী ইউচুপ গত মাস থেকে নার্গিশের কাছ থেকে যৌতুক দাবী করে।কিন্তু নার্গিশ যৌতুক প্রদানে অস্বীকার করলে তার উপর কয়েক দফা নির্যাতন করা হয়।স্থানীয় সুত্র জানায়,ইউচুপ পরকিয়া প্রেমে আসক্ত রয়েছে।এ বিষয়টি জানতে পেরে নার্গিশ স্বামী ইউচুপ কে জিজ্ঞাসা করলে তার উপর নির্যাতনের মাত্রা বাড়িয়ে দেয়।নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ভুঞা বাড়ীর এক গৃহ বধু জানান,বৃহস্পতিবার রাতে নার্গিশের সাথে তার স্বামীর ঘরের লোকজনের ঝগড়া হয়।এক পর্যায়ে তারা নার্গিশ কে গলাচেপে হত্যা করে লাশ ঘরের সিলিং এর সাথে ঝুলিয়ে রাখে।শুক্রবার সকালে নার্গিশের পিতার বাড়ী থেকে বার বার ফোন করলেও ফোন রিসিব না হওয়াতে তাদের সন্দেহ হয়।এক পর্যায়ে তারা বোগদাদিয়া পুলিশ ফাঁডির পুলিশ কে সাথে নিয়ে নার্গিশের শ্বশুর বাড়ীর বাইরে থেকে তালাবদ্ধ ঘর থেকে ঝুলন্ত অবস্থায় মৃতদেহ উদ্ধার করে।মৃতদেহ ময়না তদন্তের জন্য মর্গে রয়েছে।ঘটনার পর সবাই পালিৃডে যাওয়ায় পুলিশ কাউকে আটক করতে পারেনি।
