
০২ অক্টোবর ১৬
আবুল হোসেন রিপন:-যখন লিখছি তখন ঘড়ির কাটায় রাত ২টা ০৬ মিনিট।ছবিটা দেখে কেমন জানি মায়া লাগলো।দুইজন মানুষ যারা স্বামী-স্ত্রী।স্বামীটি এখন মৃত।বলুনতো এ অবস্থায় স্ত্রীর মানষিক অবস্থা কি হতে পারে।সুখী দম্পতি হিসেবে জীবনের কোন এক সুখের সময়ে তারা ফেসবুকে ছবিটি পোষ্ট করেছে।সেটিই এখন স্ত্রীর কাছে মৃত স্বামীর সুখের স্মৃতি।মৃত মানুষটি হলো সাভার পৌর যুবদলের সাধারন সম্পাদক।পরিবারের সামনে থেকে তাকে গ্রেফতার করে থানায় নিয়ে যায় পুলিশ।তারপর পুরাতন কাসুন্দি।অস্ত্র উদ্ধার করতে গেলে শুধু পুলিশ হেফাজতের নয়ন গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা গেলো।নিন্দা আর কি জানাবো?তারপরও মধ্যযুগীয় বর্ববরতাকে শুধুই ঘৃনা করলাম,মন থেকে ঘৃনা করলাম।পুলিশ বলেছে নয়নের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে।শুধুই এ অজুহাতে কাউকে হত্যা করার কোন অধিকার নেই রাষ্ট্রের।নয়নের রাজনৈতিক আদর্শের সাথে আমার কোন মিল নেই তারপরও শুধু মানবিকতার কারনে স্ত্রীর সাথে তার সুখ স্মৃতির ছবিটা আমাকে খুব কষ্ট দিয়েছে।আমার স্ত্রীর সাথে এ ধরনের অনেক ছবি রয়েছে শুধু এ অনুভুতি থেকে আমার কষ্টের মাত্রাটা বেড়েছে।নয়নের ছবিটা দেখে আমার স্ত্রী আমাকে ফোন করে বলেছে,তোমার সাংবাদিকতা করার দরকার নেই,তুমি বাসায় চলে আসো।বন্দুরা বুঝুন একজন স্ত্রী কোন অবস্থায় এমন বলতে পারে।জানিনা মৃত নয়নের স্ত্রী এ ছবিটা দেখে তার কি পরিস্থিতি হচ্চে।ক্রসফায়ার তুমি কবে থামবে? সেই যে চারদলীয় জোট সরকারের সময়ে চলা শুরু করলো এখনো তা চলতেই আছে।চলতে থাকা এ ঘোড়া কখন থামবে একমাত্র আল্লাই জানে।
