সোনাগাজীর আলো ডেস্ক:৫ অক্টোবর ১৬।

ক্ষিপ্ত হিংস্রতায় খাদিজা বেগম নার্গিস কে যখন চাপাতি দিয়ে কোপাচ্ছে বদরুল। কেউ এগিয়ে এসে তাকে রক্ষা করার চেষ্টা করছেনা, অনেকে তখন সিনেমার কাহিনীর মতো দুরে দাড়িয়ে ছবি তুলতে ব্যাস্ত ঠিক তখনই এগিয়ে আসলো সিলেটের টিলাগড়ের মুরারী চাঁদ কলেজের ছাত্রলীগ নেতা ইমরান। বদরুলের হিংস্রতা থেকে অচেতন খাদিজাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করে রক্ত দিয়ে চিকিৎসার সব রকম ব্যবস্থা করে ছাত্রলীগের এ নেতা।
প্রত্যক্ষদর্শী সুত্র, ভিডিও চিত্র ও স্থীর চিত্রে এমনটা দেখা গেছে। ছাত্রলীগ নামধারী বদরুলের হিংস্রতা দেখে যে সময়টায় সব প্রিন্ট ,ইলেকট্রনিক, অনলাইন মিড়িয়া ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম সংগঠন হিসেবে ছাত্রলীগ কে আসামীর কাঠগড়ায় দাড় করিয়েছে ঠিক তখনই খাদিজাকে উদ্ধারকারী ছাত্রলীগ নেতা সংগঠনের ভাবমুর্তি রক্ষার টনিক হিসেবে সামনে চলে এসেছে।
খবরের অন্তরালে এ যেন অন্য রকম খবর। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম গুলোতে একদিকে যেমন বদরুলের কারনে ছাত্রলীগ কে তুলোধুনো করছে অপরদিকে মুরারী চাঁদ কলেজের ছাত্রলীগ নেতা ইমরানের মানবিকতাকে সামনে এনে ছাত্রলীগের প্রশংসাও করা হচ্ছে।বদরুলের হিংস্রতা মেনে নেয়নি ছাত্রলীগ। ইমরান গুরতর আহত অচেতন খাদিজা কে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়ার সময় উপস্থিত অপর অপর ছাত্রলীগ নেতাকর্মীরা বদরুল কে গনধোলাই দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করে।এক অন্য রকম কাহিনী।যিনি খাদিজাকে কুপিয়েছে সে ছাত্রলীগ,যে উদ্ধার করেছে সে ছাত্রলীগ,যারা অপরাধীকে গনধোলাই দিয়ে পুলিশে দিয়েছে তারাই ছাত্রলীগ।
