
সৈয়দ মনির অাহমদ, সোনাগাজী, প্রকাশ- ৫ অক্টোবর ২০১৬
২০০৭ সাল থেকে জন্ম নিবন্ধন সনদ বাধ্যতামুলক করা হয়। সকল দাপ্তরিক কাজে এর ব্যাবহার চলছে। বিবাহসহ কিছু কিছু ক্ষেত্রে বয়ষের সময়সীমা খুবই গুরুত্বপূর্ন। প্রাথমিকভাবে পৌরসভা ও ইউনিয়ন পরিষদ এর রেজিষ্টারে তথ্য সংরক্ষিত ছিল। ২০১৫ সাল থেকে সকল তথ্য অনলাইনে সংরক্ষিত হয়।
সোনাগাজী পৌরসভার সচিব অাবদুল কাদের জানান, দাপ্তরিক কাজে সেবা নিতে অাসা অনেকের জন্মসনদের সাথে অনলাইনে সংরক্ষিত সনদের তথ্য মিল পাওয়া যায়না। প্রতিনিয়ত এ ধরনের ভোগান্তি পোহাতে হয়। বেশির সনদে দেখা যায় বয়ষ বাড়ানো অথবা কমানো হয়েছে। বাজারের কম্পিউটার দোকান গুলো পৌরসভার ন্যায় হুবহু লোগো ও ডিজাইন ব্যাবহার করে জাল সনদ তৈরী করে অাসছে। চর ছান্দিয়া পরিষদের সচিব অাবদুল হালিম জানান, অনেকে বষয় ও নাম পরিবর্তনের জন্য পরিষদে অাসেন, ব্যার্থ হয়ে ফটোশপ দোকানে অাশ্রয় নেয়। এভাবে প্রতিনিয়ত ওই জাল জন্ম সনদ দিয়ে বিবাহ সহ গুরুত্বপূর্ন কাজ সম্পাদন করছেন। সোনাগাজী পৌরসভার মেয়র অ্যাডভোকেট রফিকুল ইসলাম খোকন জানান, তিনি দায়ীত্ব গ্রহনের পর জাল সনদের অভিযোগ পেয়েছেন। কলেজ রোড় সহ সোনাগাজী পৌর এলাকার কম্পিউটার দোকান গুলোতে নোটিশ দিয়ে সতর্ক করেছেন। এরপর পাওয়া গেলে ওইসব দোকানের বিরুদ্বে প্রয়োজনীয় ব্যাবস্থা নেবেন বলে জানান মেয়র।
