
নিজস্ব প্রতিবেদক,১৭ নভেম্বর ১৬।।০৭:১২:১২
শৈশবে যখন মায়ের কথা মনে পড়তো তখন প্রায় ভরা জোসনায় রুপালী চাঁদের মাঝে আমার মমতাময়ী মাকে খুজতাম।মনে হতো মা আমাকে হাতচানি দিয়ে ডাকছে।মনে পড়ে সে সে সময়টায় আমাদের বাড়ীর পুকুরের ঘাটলায় বসে চাঁদের দিকে দির্ঘক্ষন তাকিয়ে থাকতাম।মাকে নিয়ে চাঁদের আলোয় কত স্বপ্নের জাল বুনেছি,আনমনে পরপারে থাকা মায়ের সাথে কথা বলেছি।পুকুরের স্বচ্চ জলে নারিকেল গাছের ফাঁক দিয়ে মায়াবী জোৎনার চিকচিকে আলো মনটা আদরিনি মায়ের জন্য উতলা হয়ে উঠতো।বেঁচে থাকলে মা কেমন হতো,আমার জন্য মা কি করতো,আমি মায়ের জন্য কি করতাম এ রকম কত প্রশ্ন মনের মধ্যে উকি দিতো।বুধবার রাত ১১:৩২ মিনিটির সময় ওকে( আমার স্ত্রী) ফোন দিলাম।কথা বলতে বলতে ঘরের বাইরে যখন গেলাম তখন নারিকেল গাছের ফাঁক দিয়ে রুপালী চাঁদের আলো দেখতে পেলাম।মনে পড়ে গেলো শৈশবে মায়াবী জোৎনার রুপালী চাঁদে মাকে খোঁজার সেই স্মৃতি।ফোনটা কেটে অনেকক্ষন চাঁদের দিকে চেয়ে থেকেছি।খুঁজেছি আমার মরহুমা মাকে।কিস্তু মা যেখানে আছে তাকেতো খুঁজে পাওয়া যাবেনা।এ কষ্টের অনুভুতি বলে যে মনটা হালকা করবো সে রকম মায়ের নাড়িচেড়া কেউ নেই।যদি মায়ের পেটের বোন থাকতো হয়তো বলে কষ্টটা লাগবের চেষ্টা করতাম।রুপালী চাঁদের রাতে মাকে খুব খু-উ-ব মনে পড়ছে।
