Tuesday, January 13সোনাগাজীর প্রথম অনলাইন পএিকা
Shadow

সোনাগাজী পৌরসভায় দরপত্র দাখিলের শেষ দিনেই কাজ শেষ!

sonagazi-news

বিশেষ প্রতিনিধি:- দরপত্র দাখিলের শেষ দিনেই কাজ শেষ করেছে সোনাগাজী পৌর কর্তৃপক্ষ। কাজের মান এতই নিম্ম মানের যে যাহা দেখলে অনুমান করা যায়। যার বিরুদ্ধে এই বেআইনি ও কতৃত্ববর্হিভৃত কাজের অভিযোগ উঠেছে তিনি হলেন সোনাগাজী উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক ও পৌরসভার মেয়র রফিকুল ইসলাম খোকন। অনুসন্ধানে জানা যায়, গত ০৩-১০-১৬ ইং তারিখে স্থানীয় একটি সাপ্তাহিক পত্রিকা পৌর মেয়র রফিকুল ইসলাম খোকনের স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে। যাতে দেখা যায়, পৌর ভবনের সংস্কার,সোনাগাজী-ফেনী সড়কে পৌর মেইন গেইট নির্মান, ৭ ওয়ার্ডে ছাবের পাইলট হাইস্কুলের অভ্যান্তরে সড়ক সংস্কারের কাজের জন্য দরপত্র দাখিলের শেষ তারিখ ছিলো ৩১-১০-১৬ ইং তারিখ। কিন্তু সরজমিনে দেখা যায়, পৌর ভবনের সংস্কার ও পৌর মেইন গেট নির্মানের কাজ ইতিমধ্যে শেষ করেছে মেয়র রফিকুল ইসলাম খোকন। ছাবের পাইলট হাইস্কুলের অভ্যান্তরে সড়ক সংস্কারের কাজ শুরু হয়নি। দরপত্রের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী পৌর ভবনের সংস্কারের জন্য ৮২,৫০০ টাকা জামানতে ৫,০০০ টাকায় দরপত্রের ক্রয়মুল্যে ১২০ দিনের মধ্যে,পৌর মেইন গেট নির্মানে ৩০,০০০ টাকা জামানতে ১,০০০ টাকা দরপত্রের ক্রয়মুল্যে ১২০ দিনে,ছাবের পাইলট হাইস্কুলে ১০,০০০ টাকা জামানতে ৫০০ টাকা দরপত্রের ক্রয়মুল্যে ৩০ দিনের মধ্যে কাজ শেষের জন্য ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের কাছে দরপত্র আহবান করে। প্রশ্ন উঠেছে ৩১ অক্টোবর দরপত্র জমাদানের শেষ দিন হলেও মেয়র রফিকুল ইসলাম খোকন কিভাবে এবং কোন তহবিল থেকে দরপত্রে উল্লেখিত কাজ সম্পন্ন করেছে? একাধিক নির্ভরযোগ্য সুত্র বলছে ,মেয়র খোকন নিম্মমানের কাজ করে অর্থ আত্মসাতের জন্য গোপনে সাপ্তহিক পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে। যাতে করে অন্য ঠিকাদার ও ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান দরপত্রের সিডিউল ক্রয় করতে না পারে। শুধুমাত্র অফিসিয়াল নিয়ম বজায় রাখার জন্য সে গোপনে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক সোনাগাজী পৌরসভার কাউন্সিলর জানান,দায়িত্ব গ্রহনের পর থেকে মেয়র পৌর কার্যালয় কে দুর্নীতির আখডায় পরিনত করেছে।টাকা আত্মসাত ও নিজে কাজ পাওয়ার জন্য সে গোপনে দরপত্র প্রকাশ করে যাতে করে কেউ দরপত্রের সিডিউল ক্রয় করতে না পারে। জমাদানের শেষ দিনে কত জন ঠিকাদার সিডিউল জমা দিয়েছে এ বিষয়ে জানতে সোনাগাজী পৌরসভার সচিবের সাথে একাধিকবার যোগাযোগ করেও তার কাছ থেকে কোন তথ্য আদায় করা যায়নি।ফেনী এলজিইডির নির্বাহী প্রৌকোশলী জানান,দরপত্রের কার্যাদেশ পাওয়ার পূর্বে কাজ সম্পন্ন করার কথা আমি আমার চাকুরী জীবনে প্রথম শুনলাম। কোন জনপ্রতিনিধি এটা করে থাকে তবে তাহা সম্পুর্ন বেআইনি।এসব অনিয়মের বিষয়ে জানতে মেয়র রফিকুল ইসলাম খোকনের ব্যাবহ্নত মোবাইলে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *