
আবুল হোসেন রিপন,১১ মার্চ ১৭।।০২:০৫:১৯ অপরাহ্ন
সোহেল রানা বর্তমান সময়ে ফেনী জেলায় আলোচিত নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেটের নাম।বিগত কয়েকমাস ভেজাল ও মাদক কারবারীদের বিরুদ্ধে তার সাড়াসি অভিযান তাকে ফেনীর আপামর জনসাধারনের আলোচনা কেন্দ্রবিন্দুতে নিয়ে এসেছে।সর্বমহলে মাদকের বিরুদ্ধে তার আপোষহীন অভিযান প্রসংশিত হয়েছে।
বুধবার ফুলগাজীর বদরপুর সিমান্তের ফেনীর সবচেয়ে বড় মাদক আস্তানায় তিনি অভিযান পরিচালনা করে।অনাকাংখিত ঘটনার পর প্রভাবশালী মাদক কারবারীদের হামলায় ম্যাজিষ্ট্রেট সোহেল রানা আহত ও এক আনসার কমান্ডার নিহত হয়েছেন।অভিযানের সময় পরিস্থিতি বিশ্লেষন করলে দেখা যায়,মাদক কারবারীদের সাথে বর্ডার গার্ড (বিজিবি)’ র সখ্যতার কারনে মাদক কারবারীরা ভ্রাম্যমান আদালতের উপর হামলা করার সাহস দেখিয়েছে।স্থানীয়রা জানিয়েছেন,বিজিবির সহায়তা ছাড়া দির্ঘদিন মাদক কারবারীরা তাদের অপ্রতিরোধ্য মাদক ব্যাবসা চালিয়ে যেতে পারতোনা।
ফেনীতে মাদকের ব্যাবসার বিরুদ্ধে ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযান কে ব্যার্থ করতে কি বদরপুর সিমান্তে বিজিবি রহস্যজনক ভুমিকা নিয়েছে কিনা তাহা খতিয়ে দেখা জরুরী।বদরপুর সিমান্তে মাদকের বিশাল লেনদেন হাতছাড়া হয়ে যাওয়ার কারনে সেই চক্রটি ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযান কে ভিন্ন দিকে প্রভাহিত করার চেষ্টা করছে বলে নির্ভরযোগ্য সুত্রে জানা গেছে।মাদকের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনাকারী কোন সংস্থা শতভাগ আইন মেনে অভিযান চালাতে পারেনি,বর্তমানেও পারছেনা,ভবিষ্যতেও পারবেনা কারন মাদক কারবারীরা প্রতিক্ষনে তাদের কৌশল পরিবর্তন করে।
তাছাড়া মাদক কারবারীদের পৃষ্ঠপোষকেরাতো আমাদের সমাজের প্রভাবশালী অংশ।তারা তাদের ব্যাবসা হাতছাড়া হওয়ার জন্য দায়ী ব্যাক্তিটির বিরুদ্ধে অবস্থান নিবে এটাই স্বাভাবিক।মনে রাখতে হবে মাদক নির্মু্ল হলে লাভ কিন্তু ফেনীবাসীর।নিহত আনসার কমান্ডার রাষ্ট্রের প্রয়োজনে জীবন দিয়েছে।সেতো কোন চিনতাইকারীর হামলায় মারা যেতে পারতো কিন্তু সে রাষ্ট্র ও জনগনের শত্রু মাদক কারবারীদের হামলায় প্রান দিয়েছে। বিন্দু কনার মতো নিষ্পাপ ভুলকে বড় করে দেখে মাদক কারবারীদের কাছে আত্মসমর্পন করলে ফেনীর জনসাধারন কখনো মাদকের ভয়াল থাবা থেকে রক্ষা পাবেনা।এজন্যই ভেজাল ও মাদক কারবারীদের বিরুদ্ধে বিজ্ঞ ম্যাজিষ্ট্রেট সোহেল রানার অভিযান কে এগিয়ে নিতে হবে।কিছুতেই সোহেল রানাকে ব্যার্থ হতে দেওয়া যাবেনা।
