Tuesday, January 13সোনাগাজীর প্রথম অনলাইন পএিকা
Shadow

যেসব খাবার আপনার শিশুর উচ্চতা বৃদ্ধিতে সাহায্য করবে

 

সোনাগাজীর আলো ডেস্ক,  ২৭ মার্চ ১৭।। ১২:৩০:৪৩ অপরাহ্ন

ছেলে কিংবা মেয়ে যেই হোক না কেন লম্বা মানুষ সবাই পছন্দ করে। উচ্চতার মাধ্যমে একজন মানুষের ব্যক্তিত্ব ফুটে উঠে। উচ্চতা অনেকখানি নির্ভর করে জিনের উপর। তাই সন্তানের উচ্চতা নিয়ে বাবা মায়ের চিন্তার সীমা থাকে না। বিশেষ করে বাবা মার উচ্চতা যদি কম থাকে, তবে চিন্তার মাত্রা বেড়ে যায় অনেকখানি। বংশগতির পাশাপাশি খাবার, ডায়েটের উপরও উচ্চতা অনেকখানি নির্ভর করে। সন্তানকে লম্বা করতে চান, তবে এই খাবারগুলো প্রতিদিনের ডায়েট চার্টে রাখুন।

ওটমিল : শিশুর উচ্চতা বৃদ্ধিতে ওটমিল ম্যাজিকের মত কাজ করে। এটি প্রোটিনের অন্যতম উৎস। ওটমিল পেশীশক্তি বৃদ্ধি করে এবং চর্বি হ্রাস করে। সকালের নাস্তায় ওটমিল রাখতে পারেন।

দুধ : প্রোটিন, ক্যালসিয়াম, মিনারেলসহ অনেকগুলো ভিটামিন পাওয়া যায় এক গ্লাস দুধে। ভিটামিন ডি, ক্যালসিয়াম হাড় মজবুত করে তোলে। আপনার শিশুটি যদি ২ বছরের নিচে হয় তবে ফুল ক্রিম দুধ খাওয়াবেন। দুধে থাকা ফ্যাট তার শরীর এবং মস্তিষ্কের জন্য বেশ উপকারী। টকদই এবং পনির দুধের পরিবর্তে খাওয়াতে পারেন।

পালং শাক : পালং শাককে সুপার সবজি বলা হয়ে থাকে। এটি আপনার শিশুর হাড় মজবুত করার পাশাপাশি আয়রন এবং ক্যালসিয়ামের চাহিদা পূরণ করে থাকে। আয়রন এবং ক্যালসিয়াম শিশুকে লম্বা করতে সাহায্য করে থাকে।

মাছ : মাছে প্রচুর পরিমাণ প্রোটিন এবং ভিটামিন ডি আছে। যা শিশুর উচ্চতা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। কিছু মাছ স্যামন, টুনা ইত্যাদি সামুদ্রিক মাছ প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় রাখুন।

ডিম : প্রোটিনের অন্যতম উৎস হল ডিম। এই ডিম শিশুর উচ্চতা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। আপনার শিশুর খাদ্যতালিকায় একটি ডিম রাখুন। তা সিদ্ধ হতে পারে কিংবা অন্যকোনভাবে ডিম খাওয়াতে পারেন।

গাজর : ভিটামিন এ সমৃদ্ধ এই সবজিটি প্রোটিন সমন্বয় করতে সাহায্য করে। গাজর রান্না করে খাওয়ার চেয়ে কাঁচা খাওয়া বেশ উপকারী। কাঁচা গাজর সালাদ অথবা রস করে আপনার শিশুকে খাওয়াতে পারেন।

সয়াবিন : প্রোটিনের আরেকটি অন্যতম উৎস হল সয়াবিন। এটি হাড় এবং পেশী মজবুত করতে ভূমিকা রাখে। সয়াবিন সবজির মত করে রান্না করে আপনার শিশুকে খাওয়াতে পারবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *