সোনাগাজীর আলো ডেস্ক, ১০ মার্চ ১৭।।১২:২৫:২৯ পূর্বাহ্ন
বিভিন্ন কারণে মানুষ হতাশাগ্রস্ত হতে পারে। শুধু যে ব্যর্থতা হতাশার কারণ তা নয়, আপনার কিছু অভ্যাসও হতাশার জন্য দায়ী। দৈনন্দিন এই অভ্যাসের কারণে আপনি সব সময় বিষণ্ণ থাকছেন। এই অভ্যাসগুলো ত্যাগ করা চেষ্টা করুন।
১। প্রসেসড ফুড খাওয়া
বার্গার বা ফাস্ট ফুড কিংবা চিপস বেশি পরিমাণ খাওয়া আপনাকে বিষণ্ণ করে তুলতে পারে। ২০০৯ সালের বৃটিশ জার্নাল অফ সাইট্রিক ২০০৯ সালের এক গবেষণায় প্রকাশ করে যে ৩০০০ হাজারের বেশি মানুষ যারা বেশি পরিমাণে প্রসেসড ফুড খাওয়ার অভ্যাস তৈরি করেছেন তারা উচ্চ মাত্রার হতাশায় ভুগে থাকেন।
২। একা একা সময় কাটানো
অতিরিক্ত সময় একা একা কাটানো হতাশার অন্যতম একটি কারণ। সুসান হাইটলার ক্লিনিক্যাল মনোবিজ্ঞানী এবং লেখক বলেন, হতাশা থেকে বাঁচার জন্য বন্ধুত্বের প্রয়োজন। নিজে হাসুন এবং অন্যের হাসিকে গ্রহণ করুন। হাসি এমন একটি শক্তি যা যেকোনো হতাশা দূর করে দিতে পারে।
৩। অতিরিক্ত সময় সোশ্যাল মিডিয়ায় কাটানো
অতিরক্ত সোশ্যাল মিডিয়ার ব্যবহার অথবা একই সাথে অনেকগুলো সাইট ব্যবহারে হতে পারেন হতাশা। নেটফ্লিক্স এক গবেষণায় দেখেছে যে, অতিরিক্ত মিডিয়ার ব্যবহার মস্তিষ্কের জন্য ক্ষতিকর। ২০১৩ সালের মিশিগান স্টেট ইউনিভার্সিটি ৩১৮ জন মানুষের উপর জরিপ চালিয়ে দেখেছেন যে যারা সোশ্যাল মিডিয়ায় অতিরিক্ত সময় কাটান তারা বেশি হতাশ হয়ে পড়েন।
৪। ধুমপান করা
ধূমপান শুধু স্বাস্থ্যের জন্যই ক্ষতিকর নয়, এটি আপনার বিষণ্ণতারও কারণ। যে যত বেশি ধূমপান করে, সে তত বেশি বিষণ্ণ থাকে। তাই বিষণ্ণতা থেকে মুক্তি চাইলে ধূমপান ত্যাগ করুন।
৫। বেশি সময় শহরে কাটানো
জীবিকার প্রয়োজনে বেশির ভাগ মানুষকে শহরমুখী হতে হয়। কাজের ব্যস্ততার মাঝেও শহরের কোলাহলে ছেড়ে ঘুরে আসুন দূরের কোথাও থেকে। একটানা শহরের থাকলে এটি মনকে বিষণ্ণ করে তোলে।
৬। দেরিতে ঘুমাতে যাওয়া
অপর্যাপ্ত ঘুমের কারণে হতাশাগ্রস্ত হয়ে পড়তে পারেন। সুস্থ থাকার মূল মন্ত্র হলো ভালো ঘুম। দেরি করে ঘুমালে সকালে উঠতে কষ্ট হয়। ঘুম কম হয়। সারা দিন শরীরে আলসেমি কাজ করে। যা মনের উপরও প্রভাব ফেলে থাকে।
৭। অলস সময় কাটানো
অতিরিক্ত অলস সময় কাটানো, টিভি দেখে সময় কাটানো আপনাকে অলস করে তোলে। অপর দিকে শারীরিক কর্মকান্ড বা ব্যায়াম মস্তিষ্কে ভালো কিছু উপাদান উৎপাদন করে যা মনকে রাখে ভালো। বিষন্নতা কাটিয়ে দেয়।
সূত্র: রিডার’স ডাইজেস্ট
