
আবুল হোসেন রিপন, ০৫ এপ্রিল ১৭।। ০৮:৫৫:১২ অপরাহ্ন
জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশে।ষড়ঋতুর দেশটা যেন চার ঋতুতে চলে এসেছে।স্মরনকালের মধ্যে বসন্তকালে ঘুর্নিঝড়ে আক্রান্ত হওয়ার নজীর নেই।কিন্তু বুধবার অসময়ের ঘুর্নিঝড়ে সোনাগাজীর উপকুলসহ পুরো উপজেলা লন্ডবন্ড হয়েছে।হঠাৎ প্লয়নকরী ঘুর্নিঝড়ে সোনাগাজী উপজেলায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে জানিয়েছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মিনহাজুর রহমান।
তিনি জানিয়েছেন,পুরো উপজেলায় ১৩৩০ ঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।তারমধ্যে ৪০০টি সম্পুন্ন বিধ্বস্থ,৯৩০ টি আংশিক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।দুর্গত মানুষের জন্য স্কুল ও আশ্রয় কেন্দ্র খুলে দেওয়া হয়েছে।

স্থানীয় জনপোতিনিধিদের সাথে যোগাযোগ করে জানা গেছে পুরো উপজেলায় সহশ্রাধিক কাঁচা ঘরবাড়ী বিধ্বস্থ হয়েছে।
প্রধান সড়কগুলোর উপর গাছপালা ভেঙ্গে পড়ায় যোগাযোগ ব্যাবস্থায় প্রতিবন্ধকতা তৈরী হয়েছে।স্থানীয় উদ্যেগে প্রতিবন্ধকতা সরানোর কাজ চলছে।
কৃষি সম্প্রসারন কর্মকর্তা শরিফুল ইসলাম দুলাল জানিয়েছেন ঘুর্নিঝড়ে ফসলের ব্যাপক ক্ষতিসাধিত হয়েছে।

সোনাগাজী পল্লি বিদ্যুৎ অফিস সুত্রে জানা গেছে বিদ্যুৎ সঞ্চালন লাইনে গাছ পড়ার কারনে পুরো উপজেলায় বিদ্যুৎ সংযোগ বন্ধ রয়েছে।
ঝড়ের বৃষ্টির পানিতে স্থানীয় মৎস প্রকল্প প্লাবিত হওয়ার কারনে মৎস চাষীরা বিপুল ক্ষতির সম্মুক্ষিন হয়েছে।
বিদ্যুৎ না থাকার কারনে পুরো উপজেলা অন্ধকারে নিমজ্জিত হয়ে ভুতুড়ে পরিবেশ বিরাজ করছে।
ঝড়ের কারনে আপদকালীন পরিস্থিতিতে আইনশৃংখলার যাতে অবনতি না হয় সেদিকে সজাক দৃষ্টি রয়েছে এমনি জানিয়েছেন সোনাগাজী সার্কেলের সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার জুনায়েত কাউচার।
