
বিশেষ প্রতিনিধি,১৬ এপ্রিল ১৭।।০৮:২৫:৪৯ অপরাহ্ন
ফেনীর সোনাগাজী উপজেলার তালিকাভুক্ত শীর্ষ সন্ত্রাসী ও চিহ্নিত মাদক সম্রাট মো: জুয়েল পুলিশের চোখ ফাঁকি দিয়ে সোনাগাজী পৌরসভা, সদর ইউনিয়ন, আমিরাবাদ ইউনিয়ন সহ উপজেলার সর্বত্র মাদকের ব্যাবসা চালিয়ে যাচ্ছে।
জুয়েল ও তার বাহিনীর বাধাহীন মাদক ব্যাবসা ও ডাকাতির ঘটনায় পুরো এলাকায় আতংক বিরাজ করছে।কিছুদিন পূর্বে পুলিশের মাদক উদ্ধার অভিযানে তার সহযোগী ফকির আহাম্মদ নিহত হলেও জুয়েল অজ্ঞাত কারনে ধরাছোয়ার বাইরে রয়েছে।এমনকি তাকে গ্রেফতারে প্রশাসনের তেমন তৎপরতাও তেমন লক্ষ্য করা যাচ্ছেনা।সহযোগী নিহত হলেও শীর্ষ মাদক সম্রাট জুয়েল কিভাবে আইনশৃংখলা বাহিনীর চোখ ফাঁকি দেয় তাহা অনেক প্রশ্নের জম্ম দিয়েছে।
এছাড়া তার বিরুদ্ধে সদর ইউনিয়ন যুবলীগ নেতা বেলাল হত্যার মামলা আদালতে বিচারাধীন। সে সদর ইউনিয়নের সুজাপুর গ্রামের ছকিদার বাড়ীর হাফেজ আহম্মদের ছেলে ও ইউনিয়ন যুবদলের সক্রীয় কর্মী।
এলাকাবাসী ও পুলিশ সুত্র জানায়, ২০১৫ সালের ১৪ জানুয়ারী মনগাজী বাজারে যুবলীগ নেতা বেলালকে প্রকাশ্যে গুলি করে হত্যা করে। দীর্ঘদিন ধরে সুজাপুর, মনগাজী, ছাড়াইতকান্দি, শাহাপুর, বেঁড়িবাধ, বগাদানার তাকিয়া বাজার এলাকায় মাদকের আখড়া তৈরী করে উপজেলার বিভিন্ন স্থানে ডিলারদের মাধ্যমে মাদক সাম্যজ্র গড়ে তুলেছে। ইতিপুর্বে পুলিশের হাতে গ্রেফতারকৃত একাধিক মাদক বিক্রেতা তার বিরুদ্ধে স্বীকারোক্তি দিয়েছে।
এছাড়া উপজেলায় ডাকাত সিন্ডিকেট তৈরী করে উপজেলার সর্বত্র ডাকাতি, ছিনতাই ও চাঁদাবাজীর অভিযোগ রয়েছে। সম্প্রতি সদর ইউনিয়নের মল্লিক বাড়ী সহ কয়েকটি বাড়ীতে ডাকাতির ঘটনায় তার জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে।
স্থানীয় এলাকাবাসীর ধারনা স্থানীয় এক তথাকথিত সাংবাদিক তার নিকটাত্মীয়।তার মাধ্যমে পুলিশের অভিযানের খবর পেয়ে জুয়েল গ্রেফতার এড়াতে সক্ষম হচ্ছে।স্থানীয়রা আরও বলেন, ওই তথাকথিত সাংবাদিক আইনশৃংখলা বাহিনীর কথা জুয়েল কাছ থেকে বিপুল টাকা আদায় করছে।
স্থানীয় চেয়ারম্যান সামছুল আরেফিন জানান, জুয়েল এ অঞ্চলে মাদক সম্রাট ও ডাকাত সর্দার হিসেবে পরিচিত। একাধিকবার সে, তার মা, বোন নাজমা আক্তার, ভাই সোহাগ মাদক সহ গ্রেফতার হয়েছিল।
সোনাগাজী মডেল থানার ওসি মো. হুমায়ুন কবির জানান, জুয়েলের বিরুদ্ধে হত্যা, ডাকাতি ও মাদক নিয়ন্ত্রন আইনে একাধিক মামলায় গ্রেফতারি পরোয়ানা রয়েছে। তাকে গ্রেফতার পুলিশের অভিযান অব্যাহত আছে।
