Monday, January 12সোনাগাজীর প্রথম অনলাইন পএিকা
Shadow

যে কারণে খাবেন কাঁচা আম

 

 

সোনাগজীর আলো ডেস্ক, ০৫ মে ১৭।। ১১:৫৮:২৩ অপরাহ্ন

আমের বিভিন্ন ধরনের প্রজাতি পাওয়া যায় এবং প্রত্যেকের স্বাদ, গন্ধ ও স্বাস্থ্য উপকারিতাও আলাদা আলাদা। পাকা আম সবাই পছন্দ করে। কিন্তু পাকা আমের চেয়ে কাঁচা আমের স্বাস্থ্য উপকারিতা কম নয়। সবুজ আম বা কাঁচা আম স্বাদে টক বলে এর কথা আসলেই মুখে জল চলে আসে।

ভিটামিন সি এ সমৃদ্ধ : কাঁচা আম ভিটামিন সি এ পরিপূর্ণ থাকে, যা শরীরের ক্যালসিয়ামের প্রয়োজনীয়তা পূরণে সাহায্য করে, ফলে হাড় হয় শক্তিশালী। এই গুরুত্বপূর্ণ পুষ্টি উপাদানটি আমাদের শরীরকে ইনফ্লামেশনের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতে সাহায্য করে এবং রক্ত সম্পর্কিত রোগ হওয়ার সম্ভাবনাও কমায়। রক্তনালিগুলো ক্রমান্বয়ে শক্তিশালী ও অনেকবেশি স্থিতিস্থাপক হয়ে ওঠে। ভিটামিন সি নতুন রক্ত কণিকা সৃষ্টিতে সাহায্য করে, আয়রনের শোষণে এবং রক্তপাতের প্রবণতা প্রতিরোধে সাহায্য করে।

মর্নিং সিকনেসের জন্য ভালো : গর্ভাবস্থার উপসর্গের তীব্রতা কমাতে এবং ঘন ঘন মর্নিং সিকনেস হওয়ার প্রবণতা কমাতে সাহায্য করে কাঁচা আম। নিয়মিত কাঁচা আম খেলে মর্নিং সিকনেস পুরোপুরি দূর হয়।

কোষ্ঠকাঠিন্য ও বদহজমের সমস্যা নিরাময় করে :

যদি আপনার এসিডিটির সমস্যা হয় তাহলে আপনাকে এই সমস্যা থেকে মুক্ত হতে সাহায্য করতে পারে কাঁচা আম। কাঁচা আম ফাইবারে সমৃদ্ধ এবং এতে ক্ষারের পরিমাণ বেশি থাকে বলে কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা সমাধানেও সাহায্য করে। গ্যাস্ট্রোইনটেস্টাইনাল সমস্যা সমাধানের জন্য কাঁচা আমের সঙ্গে মধু ও লবণ মিশিয়ে খেতে পারেন।

যকৃতের জন্য ভালো : কাঁচা আমে প্রচুর পরিমাণে আয়রন থাকে যা যকৃতের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় সাহায্য করে। নিয়মিত সীমিত পরিমাণে কাঁচা আম খাওয়া যকৃতের সমস্যা দূরে রাখে, যেহেতু এটি পিত্তরসের নিঃসরণ বৃদ্ধি করে এবং অন্ত্রের ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণ দূর করতে সাহায্য করে।

রোগের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে সাহায্য করে : সবুজ বা কাঁচা আম ইমিউনিটির বৃদ্ধিতে এবং বিভিন্ন রোগ প্রতিরোধে সাহায্য করে। টিউবারকুলোসিস, অ্যানেমিয়া, কলেরা, ডায়রিয়া, আমাশয়, পাইলস, ক্রনিক ডিসপেপসিয়াসহ বিভিন্ন ধরনের ক্যান্সার ও কার্ডিয়াক রোগ প্রতিরোধ হয় নিয়মিত কাঁচা আম খেলে। সূত্র : ম্যাগ ফর ওমেন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *