Monday, January 12সোনাগাজীর প্রথম অনলাইন পএিকা
Shadow

আড়াই মাসেও ধরাছোয়ার বাহিরে সোনাগাজীর কামরুল হত্যাকান্ডের খুনিচক্র

 

আবুল হোসেন রিপন>> ১২ আগষ্ট ১৮।।রবিবার,০৫:১৫:৪৩ পিএম
হত্যাকান্ডের আড়াই মাস পরেও সোনাগাজীর মঙ্গলকান্দি ইউপির রাজাপুর গ্রামের ছাত্রলীগ কর্মী কামরুলের খুনিচক্র কে শনাক্ত ও গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ।অভিযুক্তরা ধরাছোয়ার বাহিরে থাকায় হত্যার ন্যায় বিচার পাওয়া নিয়ে শংকাংয় রয়েছে নিহত কামরুলের পরিবার।মামলার বাদি ও নিহত কামরুলের পিতা কামাল উদ্দিন জানিয়েছে,পুলিশ কি করছে তার কোন কিছুই জানেন না তিনি।আড়াই মাসেও কোন আসামী গ্রেফতার না হওয়াতে তিনি ক্ষোভের সুরে বলেন,ছেলে হারিয়েও খুনিদের ভয়ে তিনি আতংকের মাঝে রয়েছেন।উপার্জনক্ষম একমাত্র ছেলেকে হারিয়ে পুরো পরিবার মানবেতর জীবন যাপন করছে জানান তিনি।।
গত ২৬ মে ইফতার করার সময় স্থানীয় সন্ত্রাসি একাধীক মামলার আসামী পিসি আল আমিনের ফোন পেয়ে কামরুল মোটর সাইকেল যোগে বাড়ী থেকে বেরিয়ে যায়।রাতে কামরুলের মোবাইল বন্দ পেয়ে তারা খোঁজাখুঁজি করেও তার সন্ধান পায়নি।।পর দিন সকালে মজলিশপুর ইউপির বিঞ্চপুর গ্রামের মান্নান কারিচার বাড়ীর পুকুর পাড়ে কামরুলের ক্ষতবিক্ষত মৃতদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
সে ফেনীর একটি তৈল প্রস্তুতকারী কোম্পানীতে সুপারভাইজার পদে চাকুরী করে পুরো পরিবারের ভরনপোষন করতো।
ছেলেকে হত্যার পর দিন তার পিতা কামাল উদ্দিন একই ইউপির উত্তর মঙ্গকান্দি গ্রামের আব্দুস চোবহানের ছেলে পিসি আল আমিন ও সমপুর গ্রামের আবুল হোসেনের ছেলে সোহাগের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত ৫/৬ জনকে অভিযুক্ত করে মামলা দায়ের করে।
ঘটনার কয়েক দিন পর স্থানীয় এলাকাবাসী অভিযুক্ত আল আমিনের বাড়ীর কাছারি ঘর থেকে কামরুলের পালসার ব্যান্ডের মোটর সাইকেলটি উদ্ধার করে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করে।
পুুলিশ প্রেমঘটিত কারনে হত্যাকান্ড সংঘঠিত হয়েছে এমন সন্দেহের ভিত্তিতে রাজাপুর গ্রামের খন্দকার বাড়ীর অলি উল্যাহর মাদ্রসায় পড়–য়া মেয়েকে আটক করে ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদ করেও কোন তথ্য উদঘাটন করতে না পেরে তাকে ছেড়ে দেয়।
হত্যাকান্ডের রহস্য উদঘাটন ও আসামিদের গ্রেফতার করতে না পারায় প্রথম তদন্তকারী কর্মকর্তা উপপরিদর্শক ইয়াসিন কে সরিয়ে দিয়ে পরিদর্শক(তদন্ত) সুজন হালদার কে নতুন তদন্ত কর্মকর্তা হিসেবে নিয়োগ দেয় মডেল থানার পরিদর্শক মোয়াজ্জেম হোসেন।
নতুন কর্মকর্তা নিয়োগের পরও মামলার তদন্তে অগ্রগতি ও আসামী গ্রেফতারে কোন সাফল্য নেই এমনটা জানিয়েছে বাদী কামাল উদ্দিন।তিনি কি কারনে কারা কোন উদ্দেশ্যে কামরুল হত্যা করা হয়েছে তার রহস্য উদঘাটন করে আসামীদের গ্রেফতারে আরো তৎপর হতে পুলিশের প্রতি আহবান জানান।
মডেল থানার পরিদর্শক মোয়াজ্জেম হোসেন জানিয়েছে,কামরুল হত্যার মামলাটি পুলিশ সর্বোচ্ছ গুরত্ব দিয়ে তদন্ত করছে।অভিযুক্ত খুনিদের ইতিমধ্যে শনাক্ত করা হয়েছে,হত্যাকান্ডের মেটিভ মোটামোটি পরিস্কার।মোবাইল ট্যাকিং করে হত্যাকারীদের ধরতে পুলিশ কয়েকবার অভিযান চালায় কিন্তু ঘন ঘন অবস্থান পরিবর্তন করায় তাদের গ্রেফতার করা যাচ্ছেনা।শিগ্রই তাদের গ্রেফতার করা যাবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *