Monday, January 12সোনাগাজীর প্রথম অনলাইন পএিকা
Shadow

সোনাগাজীতে কর্দমাক্ত রাস্তায় চরম জনদুর্ভোগ

 

কর্দমাক্ত রাস্তায় স্কুল শিক্ষার্থীদের দুর্ভোগ

নিজস্ব প্রতিনিধি>> ১১ আগষ্ট ১৮।। শনিবার,০৪:১৮:৪৫ পিএম
সোনাগাজী উপজেলার চরছান্দিয়া ইউনিয়নের ওলামাবাজার সংলগ্ন উত্তর চরছান্দিয়া গ্রামের দুই কিলোমিটার কর্দমাক্ত একটি রাস্তার জন্য পাঁচ শতাধিক পরিবারের লোকজন কয়েক যুগ ধরে ভোগান্তির চরম দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন। রাস্তাটির একপ্রান্ত ও ডান পাশে পাকা সড়ক থাকলেও মাঝখানে দুই কিলোমিটার রাস্তা কাঁচা রয়ে গেছে। বিভিন্ন সময় স্থানীয় বিভিন্ন নির্বাচনের আগে প্রার্থীরা ওই রাস্তাটি পাকা করে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিলেও কেউ তা বাস্তবায়ন করেনি বলে এলাকাবাসীর অভিযোগ।রাস্তাটি দিয়ে প্রতিদিন এলাকার পাঁচ শতাধিক লোক ভোগান্তির মধ্য দিয়ে চলাচল করছেন।যার ফলে এলাকার বিপুল সংখ্যক মানুষের জনদুর্ভোগ চরমে উঠেছে।
স্থানীয় পঞ্চায়েত আব্দুল খালেক ও ব্যবসায়ী মোশারফ হোসেন জানিয়েছে,২০০৯ সালে উপজেলা নির্বাচনের সময় বর্তমান উপজেলা চেয়ারম্যান জেডএম কামরুল আলাম ভোট চাইতে গেলে লোকজন সড়কটি পাকাকরনের দাবী জানান।তিনি জয়ী হলে বাস্তবায়নের প্রতিশ্রুতি দেয়।নির্বাচনে জয়ী হয়ে দ্বীতিয় মেয়াদের প্রায় শেষ প্রান্তে এসেও তিনি তার প্রতিশ্রুতি রক্ষা করেনি।এমনকি লিখিত দাবী জানালেও তিনি জনদুর্ভোগ লাগবে কোন পদক্ষেপ নেয়নি।


এলাকার ভুক্তভোগী বেলাল হোসেন,আব্দুল আলি,মোস্তাফিজুর রহমান জানান, প্রতি বছরের মতো বর্তমান বর্ষা মৌসুমে এ রাস্তাটি কর্দমাক্ত হয়ে একাকার হয়ে গেছে। চলাচল করার কোনো সুযোগ থাকে না। শিক্ষার্থীরা অতিকষ্টে ক্লাসে যায়।অসুস্থ্য রোগী ও বয়ষ্ক লোকজনের দুর্ভোগ সবচেয়ে বেশী। এ দুর্ভোগ লাগবে কারও মাথাব্যথা নেই।
দুই বছর আগে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের সময় এক সভায় বর্তমান চেয়ারম্যান রাস্তাটি পাকাকরণের প্রতিশ্রুতি দেয়।তিনি বর্ষা মৌসুমে রাস্তাটিতে ইট ফেল্লেও অতি বর্ষনের কারনে পরিস্থিতির তেমন উন্নতি হয়নি।
ওই ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মোহাম্মদ শাহজাহান জানিয়েছে, কর্মসৃজন প্রকল্পের আওতায় মাটি দিয়ে রাস্তাটি উঁচু করা হয়েছে কিন্তু অতি বর্ষনের কারনে বৃষ্টির পানি নিস্কাষিত না হতে পেরে পুরো রাস্তাটি কর্দমাক্ত হয়ে পড়ে।
স্থানীয় চেয়ারম্যান মোশারফ হোসেন মিলন জানিয়েছে,জনদুর্ভোগের বিষয়টি আমলে নিয়ে ইউনিয়ন পরিষদের বরাদ্ধ থেকে রাস্তটির পাশে ইতিমধ্যে তিনশ ফিুট ড্রেন নির্মান ও রাস্তার মাঝখানে ইউ কালভার্ট নির্মান করা হয়েছে।বৃষ্টি কমে পরিস্থিতির উন্নতি হলে ২০০ ফুট করে পর্যায়ক্রমে পুরো রাস্তাটি সলিং করা হবে।
তিনি আরো জানিয়েছে,পাকাকরনে কাজ উপজেলা পরিষদ ও প্রোকৌশল কার্যালয় করতে পারে,ইউনিয়ন পরিষদের সে ধরনের বরাদ্ধ নেই।রাস্তাটি পাকাকরনের জন্য কয়েকবার অবহিত করা হলেও তারা কোন কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহন করেনি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *