
সংবাদদাতা>> ১৫ ডিসেম্বর ১৮।। শনিবার,০৫:২৩:৪২ পিএম
পারিবারিক বিরোধের জের ধরে কুচক্রি মহলের ষড়যন্ত্রের শিকার হয়ে প্রাণ নাশের আশংকা করছেন সোনাগাজী মুক্তিযোদ্ধা ওবায়দুল হক। গত কিছুদিন থেকে এলাকার একটি সংঘবদ্ধ চক্র তার বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম সহ বিভিন্ন ভাবে অপপ্রচার করে তাকে সামাজিকভাবে হেয় করার অপচেষ্টায় লিপ্ত রয়েছে। জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে তিনি পুলিশ হেড কোয়াটার সহ বিভিন্ন দপ্তরে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন, ওবায়দুল হক সোনাগাজীর চর দরবেশ ইউনিয়নের চর সাহাভিকারী গ্রামের মৃত আবু বকরের ছেলে। ১৯৭১ সালে বিএলএফ কমান্ডার এর অধীনে তিনি সক্রিয়ভাবে মুক্তিযুদ্ধে অংশ গ্রহণ করেন। সোনাগাজী উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা যাচাই বাচাই কমিটিতে তার নাম ৫১নং ক্রমিকে অন্তর্ভূক্ত হয়েছে।
চর দরবেশ ইউনিয়ন মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার আবুল কাশেম এর প্রত্যায়ন পত্রে দেখা যায়, ৭১সালে তিনি মুক্তিযুদ্ধের সক্রিয় অংশগ্রহণের পাশাপাশি যুদ্ধে আহত মুক্তিযোদ্ধাদের চিকিৎসা সেবা প্রদান করেছেন। সোনাগাজী উপজেলা গেরিলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার কেএম খুরশিদ আলমের প্রত্যায়ন পত্রে দেখা যায়, ওবায়দুল হক একজন প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধা, তিনি তাকে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের “জামুকার” যাচাই বাছাই নিবন্ধনে তাহার নাম বিধি মোতাবেক অন্তর্ভূক্তির সুপারিশ করেন।
সোনাগাজী থানা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক আহŸায়ক মফিজুল হক পাটোয়ারী ওবায়দুল হককে প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে প্রত্যায়ন পত্র দিয়েছেন। এছাড়াও তালিকাভূক্ত মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল হালিম গেজেট নং ০২১১০৫০০০১, আহছান উল্যাহ মাষ্টার গেজেট নং ২৭৩, আবুল কাশেম মুক্তিবার্তা নং-০২১১০৫০২০১, কামাল উদ্দিন মুক্তি বার্তা নং-০২১১০৫০৩৯২, মোঃ ছাদেক গেজেট নং-০২১১০৫০০৪২ মুক্তিযোদ্ধারা ওবায়দুলহককে প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে স্বীকৃতি দিয়ে শনাক্ত করেছেন। সোনাগাজী উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার নাছির উদ্দিনও ওবায়দুলহককে প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছেন।
