
নিজস্ব প্রতিনিধি>> ১২ জানুয়ারী ১৮।।শনিবার,০৩:৩০:৩২ পিএম
পুরাতন কারাগার থেকে নতুন কারাগার আয়তনে ৫ গুন বড়। ১’শ ১৬ কারারক্ষীর পদ থাকলেও কর্মরত রয়েছেন ৫৩ জন। নিরাপত্তা নিয়ে শংকা থাকলেও শনিবার (১২ জানুয়ারি) রানীরহাটে সুপরিসরে নবনির্মিত ফেনী জেলা কারাগারে বন্দী স্থানান্তর করা হয়। এর আগে বিগত বছরের ১ নভেম্বর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গনভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে জেলার বৃহৎ এ প্রকল্পের উদ্বোধন করেছিলেন।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ১৯৯৬ সালে শহরতলীর কাজিরবাগ মৌজায় সাড়ে ৭ একর জায়গায় নতুন জেলা কারাগার নির্মান কাজ শুরু হয়। ৩৯ কোটি টাকা ব্যয়ে ২৮টি ভবন নির্মিত হয়েছে। আধুনিক সুযোগ সুবিধা সম্বলিত এ কারাগারে ২টি ওয়াচ টাওয়ার, সিসি ক্যামেরা, ২.৫০ কেভি এ বিদ্যুৎ সাব-স্টেশন, ১০ কিলোওয়াট সৌর বিদ্যুৎ, ২০ কেভি জেনারেটর ছাড়াও বৃষ্টির পানি সংরক্ষণের ব্যবস্থা, অভ্যর্থনা মঞ্চ, প্যারেড গ্রাউন্ড, আন্ডারগ্রাউন্ড ওয়াটার রিজার্ভার রয়েছে। এ কারাগারে বন্দী ধারন ক্ষমতা রয়েছে ৩শ ৫০ জন।
কারা সূত্র জানায়, শনিবার ভোর ৫টা থেকে বন্দী স্থানান্তর প্রক্রিয়া শুরু হয়ে দুপুরের মধ্যে সম্পন্ন হয়। ৮ শতাধিক বন্দীকে ৫টি ভ্যান গাড়ীতে করে স্থানান্তর করা হয়েছে। ১টি গাড়ীতে ৪০ জন বন্দী বহন করা হয়। বন্দী স্থানান্তরে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কারারক্ষী ছাড়াও পুলিশের ১শ সদস্য, র্যাব, সাদা পোষাকে পুলিশ ও গোয়েন্দা নজরদারী করে।
সূত্র আরো জানায়, যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়। বন্দী স্থানান্তর প্রক্রিয়া তদারকি করবেন চট্টগ্রাম বিভাগের ডিআইজি প্রিজন এ.কে.এম ফজলুল হক।
জানতে চাইলে ফেনী কারাগারের সুপার মোহাম্মদ রফিকুল কাদের জানান, নবনির্মিত নতুন কারাগার স্থানান্তর হলে বন্দীদের দূর্ভোগ লাগব হবে। পুরাতন কারাগারে ধারন ক্ষমতার অতিরিক্ত বন্দী থাকায় হিমশিম খেতে হয়েছে। তবে কারারক্ষী স্বল্পতায় নতুন কারাগারে নিরাপত্তা শংকার বিষয়ে তিনি কোন মন্তব্য করেননি।
