Friday, January 16সোনাগাজীর প্রথম অনলাইন পএিকা
Shadow

সোনাগাজীতে রাতে মোবাইল ফোনে বিরক্ত করার জেরে সংঘর্ষে ইউপি সদস্যসহ ৫ জন আহত

 

আহত ইউপি সদস্য বেলাল ও মাংস ব্যবসায়ী ইস্রাফিল

সোনাগাজী প্রতিনিধি>> ২০ জানুয়ারী ১৯।রবিবার,০৩:২০:৩২ পিএম
সোনাগাজীতে রাতে মোবাইলে ফোন করে বিরক্ত করার জেরে সংঘর্ষে স্থানীয় ইউপি সদস্য সহ ৫ জন আহত হয়েছে।

ঘটনাটি শনিবার সন্ধ্যায় উপজেলার বগাদানা ইউপির মান্দারি গ্রামের আনোয়ারের দোখান সংলগ্ন স্থানে ঘটে।সংঘর্ষে বগাদানা ইউপির ১নং ওয়ার্ডের সদস্য বেলালহোসেন,ইস্রাফিল,সাইফুল,বাচ্চু,শাহাদাত,জামাল আহত হয়।আহতের মধ্যে বেলাল ও ইস্রাফিল সোনাগাজী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ও শাহাদাত ফেনীর একটি প্রাইভেট হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে।জানা গেছে, বৃহস্পতিবার গভীর রাতে মান্দারি গ্রামের আব্দুর রশিদের ছেলে সাইফুলের কাছে একই গ্রামের মমিনুল হকের ছেলে জামাল ব্যবসায়ীক কারনে ফোন দেয়।তারা উভয়ে ছাগলের মাংস ব্যবসার সাথে জড়িত।শুক্রবার সন্ধ্যায় সাইফুল গভীর রাতে তাকে ফোন দিয়ে কেন বিরক্ত করা হলো জামালের কাছে কৈফিয়ত চেয়ে বিতর্কে জড়িয়ে পড়ে।বিষয়টি জানাজানি হলে এলাকায় উভয়ের আত্মীয় স্বজনদের মাঝে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।

আহত সাইফুল

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছে,রাতে এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে জামালের সমর্থক ইস্রাফিল,,হানিফ,শাহাদাত,সোহেলসহ ১০/১৫ জন সাইফুলের উপর হামলা চালানোর চেষ্টা করে।স্থানীয় ইউপি সদস্য বেলাল হোসেন ঘটনাস্থলে পৌঁছে তাদের নিবৃত্ত করে শনিবার বিকালে শালিস বৈঠকের মাধ্যমে বিষয়টি সমাধান করা হবে বলে জানায়।
ইউপি সদস্য বেলাল বলেন,শনিবার শালিস বৈঠকের পূর্বে জামাল তার লোকজন নিয়ে সাইফুলের উপর পুনরায় হামলা চালানোর চেষ্টা করলে আমি বাধাঁ দিলে তারা আমাকে পিটিয়ে ও কুপিয়ে আহত করে।আমাকে রক্ষা করতে সাইফুল এগিয়ে এলে তাকেও পিটিয়ে আহত করে।
তবে অভিযোগ প্রত্যাক্ষান করে জামাল বলেন,শালিসের পূর্বে আমরা ঘটনাস্থলে গেলে ইউপি সদস্য বেলালের ইন্ধনে সাইফুল তার লোকজন নিয়ে আমাদের উপর অতর্কিত হামলা চালায়। তাদের হামলায় আমার কাকা ইস্রাফিল, দুই চাচাতো ভাই শাহাদাত ও বাচ্চু আহত হয়।
সংঘর্ষের খবর পেয়ে সোনাগাজী মডেল থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে আহতদের উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করায়।
প্রতিবেদককে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আহতরা পরস্পরের বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি নিচ্ছে বলে জানান।

সোনাগাজী হাসপাতালের চিকিৎসক নুরুল আলম জানান,সাইফুল চিকিৎসা নিতে হাসপাতালে ভর্তি হলেও রাতে কর্তব্যরত নার্সের সাথে ঝগড়া করে কাউকে কিছু না জানিয়ে চলে যায়।তবে সাইফুল বলেছে অজ্ঞাত কয়েক ব্যক্তি তাকে হাসপাতালে এসে হুমকি দিলে সে বাড়ীতে চলে যায়।

মডেল থানার ওসি মোয়াজ্জেম হোসেন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন,লিখিত অভিযোগ পেলে পরবর্তী আইনগত প্রদক্ষেপ নেওয়া হবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *