
আবুল হোসেন রিপন>> ০২ ফেব্রুয়ারী ১৯।। শনিবার,০৪:৪০:৪৩ পিএম
আসন্ন উপজেলা পরিষদ নির্বাচনকে ঘিরে সোনাগাজী আওয়ামী রাজনীতিতে নতুন মেরুকরনের আভাস পাওয়া যাচ্ছে।মনোনয়ন প্রত্যাশীদের সমর্থকরা কয়েকেটি গ্রুপে বিভক্ত হয়ে যার যার পচন্দের প্রার্থীর জন্য মাঠে ঘাটে এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সক্রিয় হয়ে উঠেছে।বিগত পাঁচ বছরে সোনাগাজী আওয়ামীলীগে প্রকাশ্যে দুটি গ্রুপ ও অপ্রকাশ্যে অন্তত চারটি গ্রুপ সক্রিয় থাকলেও উপজেলা নির্বাচনে মনোনয়নকে কেন্দ্র করে বহু গ্রুপে বিভক্ত হয়ে পড়েছে।গত পাঁচ বছরে যারা একই গ্রুপে থেকে রাজনীতি করেছে বর্তমানে তারা একাধীক গ্রুপে বিভক্ত হয়ে পড়েছে।একে অপরের অঘোষিত শত্রুতে পরিনত হয়েছে।অন্য গ্রুপগুলোর নেতাকর্মীরা স্বার্থ কেন্দ্রীক দ্বন্ধে যে যার সুবিদামতো গ্রুপে ঢুকে পড়ছে।নবীন-প্রবীন-ত্যাগী-হাইব্রীড়-সুবিদাবাদিদের দ্বন্ধে মনোনয়ন প্রত্যাশীদের নেতাকর্মীরা পরস্পরের মুখোমুখি দাড়িয়ে গেছে।এ দ্বন্ধে সাধারন সমর্থকরা গ্যাড়াকলে পড়ে অসহায় হয়ে পড়েছে।কে কার সমর্থক বুঝতে না পারলেও বিষয়টি অনেকটা টম এন্ড জেরি সিরিজের ইদুর বিড়াল খেলায় পরিনত হয়েছে।তবে উপজেলা আওয়ামীলীগ নেতৃবৃন্দ উপজেলা চেয়ারম্যান পদ নিয়ে নেতাকর্মীদের মাঝে গ্রুপিং বা বিভক্তির বিষয়টি স্বীকার করেননা।
গত উপজেলা নির্বাচনে জেলা আওয়ামীলীগ উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি ফয়েজুল কবির কে সমর্থন না দিয়ে ২০০৯ সালের উপজেলা নির্বাচনে আওয়োমীলীগের বিদ্রোহী প্রার্থী বর্তমান উপজেলা চেয়ারম্যান জেডএম কামরুল আনাম কে সমর্থন দিলে স্থানীয় আওয়ামীলীগ নেতাকর্মীদের মধ্যে গ্রুপিং রাজনীতি প্রকাশ্যে চলে আসে।রাগে ক্ষোভে অভিমানে ফয়েজুল কবির রাজনীতি মাঠ থেকে সরে গিয়ে চট্রগ্রামে নিজ ব্যবসায় স্থিতি হয়।সে নির্বাচনে আলোচিত ফেনী স্টাইলে জেডএম কামরুল আনাম নির্বাচিত হয়।তাকে ঘিরেই উপজেলা রাজনীতিতে স্থানীয় আওয়ামীলীগে একটি গ্রুপ সৃষ্টি হয়।
২০১৪ সালের জাতীয় নির্বাচনের সময় আওয়ামীলীগ নেতা হাজী রহিম উল্যাহ বিদ্রোহী প্রার্থী হয়ে জয়লাভ করে প্রথম কয়েকমাস স্থানীয় আওয়ামীগের সাথে মিলেমিশে কাজ করে।জেলা আওয়ামীলীগের সাথে হাজী রহিম উল্যাহর মতবিরোধ শুরু হলে সোনাগাজীতে উপজেলার রাজনীতিতে নতুন দুটি গ্রুপ সৃষ্টি হয়।পৌর আওয়ামীলীগের সভাপতি নুরুল আফচার,উপজেলা আওয়ামীলীগের কৃষি বিষয়ক সম্পাদক আব্দুর রহিম খোকন,উপজেলা আওয়ামীলীগের প্রচার সম্পাদক সৈয়দ দ্বীন মোহাম্মদ,উপজেলা যুবলীগের সাবেক যুগ্ন আহবায়ক মতিগঞ্জ ইউনয়ন চেয়ারম্যান রবিউজ্জামান বাবু,উপজেলা যুবলীগের যুগ্ন সাধারন সম্পাদক জেলা পরিষদের সদস্য নাছির উদ্দিন আরিফ ভুঞা, আমিরাবাদ ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি ইসমাইল হোসেন,কেন্দ্রীয় মুক্তিযোদ্ধা প্রজম্মলীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি আব্দুল মজিদ ভুলু,পৌর যুবলীগ নেতা নাছির উদ্দিন রিপনের নেতৃত্বে একটি গ্রুপ প্রকাশ্যে ও বহু নেতাকর্মী অপ্রকাশ্যে হাজী রহিম উল্যাহর পক্ষে এবং উপজেলা যুবলীগের সভাপতি আজিজুল হক হিরন,জেলা আওয়ামীলীগের সদস্য বর্তমানে জেলা ঘোষিত উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি রুহুল আমিন,উপজেলা চেয়ারম্যান কামরুল আনাম,উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক রফিকুল ইসলাম খোকন,যুগ্ন সাধারন সম্পাদক জহিরুল আলম জহির,উপজেলা যুবলীগের সাধারন সম্পাদক নুরুল ইসলাম ভুট্টুর নেতৃত্বে একটি গ্রুপ জেলা আওয়ামীগের পক্ষে অবস্থান গ্রহন করে।আধিপত্য বিস্তার নিয়ে এ দুটি গ্রুপের মধ্যে সোনাগাজীতে একাধীকবার রক্তক্ষয়ী সংঘের্ষের ঘটনা ঘটে।সংঘর্ষে উপজেলা আওয়ামীলীগ কার্যালয়ে হামলা সহ বহু নেতাকর্মী আহত হয়।
রহিম উল্যাহর সাথে বিরোধ সৃষ্টির একবছর পর তার পক্ষের অধিকাংশ নেতাকর্মী রাজতৈক মাঠে টিকে থাকতে পক্ষ ত্যাগ করে জেলা আওয়ামীলীগের পক্ষে চলে যায়।রাজনৈতিক মাঠে কোনঠসা হয়ে রহিম উল্যাহ তার অনুগত গুটিকয়েক নেতাকর্মী নিয়ে আলাদা থাকে।
গত কয়েকমাস পূর্বে আজিজুল হক হিরন ও রুহুল আমিনের মধ্যে বিভিন্ন বিষয়ে মতবিরোধ তৈরী হলেও বিষয়টি গোপন থাকে।তারা উভয়ে উপজেলা রাজনীতিতে জেলা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক নিজাম উদ্দিন হাজারীর কট্টর সমর্থক হিসেবে পরিচিত।হিরন আবার সম্পর্কে নিজাম হাজারীর মামাতো ভাই। কিন্তু উপজেলা নির্বাচনে উভয়ে মনোনয়ন প্রত্যাশী হিসেবে মাঠে নামলে তাদের বিরোধের বিষয়টি প্রকাশ্য হয়।একই সাথে জহিরুল আলম জহির,জেডএম কামরুল আনাম মনোনয়ন প্রত্যাশী হিসেবে মাঠে নামলে জেলা আওয়ামীলীগের পক্ষে থাকা গ্রুপটি চারটি গ্রুপে বিভক্ত হয়ে পড়ে।সাবেক এমপি রহিম উল্যাহ কে সমর্থনকারী গ্রুপটির নেতাকর্মীরা যে যার সুবিধামতো জেলা আওয়ামীলীগকে সমর্থনকারী গ্রুপে ঢুকে পড়লে সোনাগাজীর আওয়ামীলীগ রাজনীতেতে নতুন মেরুকরন হয়।বিশ্বাস অবিশ্বাসের খেলায় নতুন মেরুকরনের রাজনীতিতে চলছে চরম অস্থিরতা।
কেন্দ্রীয় আওয়ামীলীগ উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী নির্ধারন করতে জেলা ও উপজেলা আওয়ামীলীগের নিকট চিঠি পাঠালে মনোনয়ন দ্বন্ধে চারটি গ্রুপ মাঠে সক্রিয় হয়ে কাজ শুরু করে।তারা প্রকাশ্যে অপ্রকাশ্যে এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে নিজেদের প্রার্থীকে সমর্থনের পাশাপাশি পরস্পরের বিরুদ্ধে বিষেদাগারে জড়িয়ে পড়ে।
কেন্দ্রীয় আওয়ামীলীগ তৃনমূলের মতামতের ভিত্তিতে উপজেলা চেয়ারম্যান পদে দলীয় প্রার্থী নির্ধারন করে ৩ ফেব্রুয়ারীর মধ্যে কেন্দ্রে একক অথবা তিন জনের প্যাণেল পাঠানোর নির্দেশনা প্রদান করে ।গত ২৭ ফেব্রুয়ারী জেলা আওয়ামীলীগ কেন্দ্রীয় নির্দেশনা না মেনে উপজেলা চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী নিধারন করতে মনোনয়ন বোর্ড গঠন করে।মনোনয়ন বোর্ডে বর্তমান উপজেলা চেয়ারম্যান জেডএম কামরুল আনাম,ভাইস চেয়ারম্যান আজিজুল হক হিরন,জেলা আওয়ামীলীগের মনোনিত উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি রুহুল আমিন,উপজেলা আওয়ামীলীগের যুগ্ন সাধারন সম্পাদক জহিরুল আলম জহির,সাবেক যুগ্ন আহবায়ক মফিজুর রহমান,আওয়ামীলীগ নেতা কাজী মনছুর আহাম্মদ চেয়ারম্যান পদে দলীয় প্রার্থী হিসেবে আবেদন করে।তৃনমূলের মতামত ছাড়াই ২৯ জানুয়ারী রাতে ফেনী পৌর প্রাঙ্গনে সদরের এমপি জেলা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পদক নিজাম হাজারীর উপস্থিতিতে জেলা আওয়ামীলগি সভাপতি সদর উপজেলা চেয়ারম্যান আব্দুর রহমান বিকম দলীয় প্রার্থী হিসেবে রুহুল আমিনের নাম ঘোষনা করে।রুহুল আমিন জেলা আওয়ামীলীগ সমর্থন পাবে এমন টের পেয়ে দলীয় মননোনয়ন প্রত্যাশী কামরুল আনাম ও আজিজুল হক হিরন ২৯ জানুয়ারী জেলা আওয়ামীলীগ গঠিত মনোনয়ন বোর্ডে অনুপস্থিত ছিলেন।
রুহুল আমিন কে জেলা আওয়ামীলীগ উপজেলা চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হিসেবে সমর্থন করার পর থেকে সোনাগাজী আওয়ামীলীগ রাজনীতিতে নেতাকর্মীদের মাঝে নতুন মেরুকরনের সৃষ্টি হয়।
সরজমিনে দেখা গেছে পুরো উপজেলায় সক্রিয় অধিকাংশ নেতাকর্মী রুহুল আমিন ব্যাপারে নেতিবাচক মনোভাব পোষন করছে।সিংহভাগ নেতাকর্মী জেডএম কামরুল আনাম,আজিজুল হক হিরন,জহিরুল আলম জহিরকে উপজেলা চেয়ারম্যান হিসেবে পচন্দের তালিকায় রেখেছে।ফেনীর রাজনীতির বাস্তবতায় নেতাকর্মীরা নিজাম হাজারীর সিদ্ধান্তের বাহিরে মুখ খুলতে সাহস না করলেও তারা প্রচন্ড ক্ষুব্ধ ও হতাশা ব্যক্ত করছে।তাদের অভিমত আদর্শিক ও ত্যাগের রাজনীতিতে সোনাগাজী আওয়ামীলীগের জন্য অপর তিন জনের চেয়ে রুহুল আমিনের ভুমিকা একবারে নগন্য।তারা দীর্ঘ সময় রাজনীতিতে সক্রীয় থাকলেও এমপি রহিম উল্যাহ ও নিজাম উদ্দিন হাজারীর দ্বন্ধের সময়ে ২০১৫ সালে রুহুল আমিন রাজনীতিতে সক্রীয় হয়েছে।তবে কিছু নেতাকর্মীর অভিমত রুহুল আমিন যখনই রাজনীতিতে সক্রীয় হোকনা কেন নিজাম হাজারীর প্রতি আনুগত্যের প্রশ্নে তার ভুমিকা অন্যদের চেয়ে বেশী।রুহুল কে উপজেলার অনেক নেতাকর্মী পচন্দের তালিকায় রেখেছে।
চেয়ারম্যান পদে উপজেলার আওয়ামীলীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগ নেতাকর্মীদের পচন্দের শীর্ষে রয়েছে বর্তমান ভাইস চেয়ারম্যান যুবলীগ সভাপতি আজিজুল হক হিরন,দুই মেয়াদে ক্ষমতায় থাকার সুবাদে কিছু ভুলভ্রান্তির পরও বর্তমান উপজেলা চেয়ারম্যান জেডএম কামরুল আনামও যথেষ্ট জনপ্রিয়।এ দুই জন দলের চুড়ান্ত সমর্থন পেতে জোর তবদির অব্যহত রাখলেও জহিরুল আলম জহির নিজেকে অনেকটা সরিয়ে নিয়েছে।
দল থেকে চুড়ান্ত মনোনয়ন না পেলেও জেলা আওয়ামীলীগের সমর্থন পাওয়ার পর উপজেলা চেয়ারম্যান পদকে কে ঘিরে সক্রিয় চারটি গ্রুপের অনেক নেতাকর্মী রুহুল আমিনের সাথে দেখা করে তাকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানানো অব্যহত রাখলেও সিংহভাগ নেতাকর্মী পরিস্থিতি পর্যবেক্ষন করছে।ইতিমধ্যে উপজেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক সলিম উল্যাহ সেলিম,প্রচার সম্পাদক সৈয়দ দ্বীন মোহাম্মদ.যুগ্ন সাধারন সম্পাদক ফয়েজুল ইসলাম সেলিম,মতিগঞ্জ ইউনিয়ন চেয়ারম্যান রবিউজ্জামান বাবু,জেলা পরিষদ সদস্য উপজেলা যুবলীগের যুগ্ন সাধারন সম্পাদক নাছির উদ্দিন আরিফ ভুঞা,কয়েকটি ইউনিয়নের আওয়ামীলীগ,যুবলীগ,ছাত্রলীগের কিছু সংখ্যক নেতা কর্মী প্রকাশ্যে রুহুল আমিনকে সমর্থন করতে দেখা গেছে।গত কয়েক দিনে রুহুল আমিন উপজেলার সরকার দলীয় চেয়ারম্যান ও শীর্ষ নেতাকর্মীদের সাথে মতবিনিময় করে তাদের সমর্থন লাভের চেষ্টা করছে।তবে সিংহভাগ নেতাকর্মী দলের কেন্দ্রীয় মনোনয়ন কে পাচ্ছে তার দিকে নজর রাখছে।
রুহুল আমিন বলেন,দল যাকে চুড়ান্ত মনোনয়ন দিবে আমরা সবাই তার পক্ষে কাজ করে তাকে বিজয়ী করবো।ইতিমধ্যে জেলা আওয়ামীলীগ আমাকে সমর্থন দিয়েছে,দলের জন্য দির্ঘদিন কাজ করে যাচ্ছি বলে জেলা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদ নিজাম উদ্দি হাজারী আমাকে মুল্যায়ন করেছে,অনেক মনোনয়ন প্রত্যাশী অভিমানে দুরে সরে রয়েছে,তফসিল ঘোষনার পর ঠিক হয়ে যাবে।যারা দলকে প্রকৃত ভালোবাসে তারা জেলার সিদ্ধান্ত মেনে নিয়ে দলের প্রার্থীর পক্ষে কাজ করবে।জেলার সিদ্ধান্ত কেন্দ্র বহাল রাখবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
দলের মনোনয়ন প্রত্যাশী বর্তমান ভাইস চেয়ারম্যান আজিজুল হিরন বলেন,আমার পরিবার সোনাগাজীর সুপরিচিত আওয়ামী পরিবার,সোনাগাজী আওয়ামীলীগ রাজনীতির জন্য অন্য প্রার্থীদের চেয়ে আমার ও পরিবারের শ্রম সবচেয়ে বেশী,ছাত্র জীবন থেকে অদ্যাবদি দলের জন্য কাজ করে যাচ্ছি,নিজাম উদ্দিন হাজারীরর নেতৃত্বে উপজেলা যুবলীগকে সুসংগঠিত করেছি,জনপ্রতিনিধি হয়ে অনেক সিমাবদ্ধতার মধ্যেও দল ও জনগনের জন্য করেছি,উপজেলা উন্নয়নে সর্বক্ষেত্রে ভুমিকা রেখেছি।আমি বিশ্বাস করি দল আমার ত্যাগের মুল্যায়ন করে তৃনমূলের মতামত নিয়ে চুড়ান্ত প্রার্থী হিসেবে আমাকে মনোনয়ন দিবে।
মনোনয়ন প্রত্যাশী বর্তমান উপজেলা চেয়ারম্যান জেডএম কামরুল আনাম বলেন, দলের মনোনয়ন প্রত্যাশীদের মধ্যে আমি সবচেয়ে যোগ্য প্রার্থী।২০০১ সালের পর দু:সময়ে দলের সভাপতির দয়িত্ব পালন করে দলকে সুসংগঠিত করেছি,দুই বার উপজেলা চেয়ারম্যান থাকার সুবাদে দল ও জনগনের জন্য কাজ করেছি, উপজেলার উন্নয়নে আমার ভুমিকা ছিলো বেশী।আমি বিশ্বাস করি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আমার কাজ বিবেচনা করে সঠিক সিদ্ধান্ত নিবে।
