Wednesday, January 14সোনাগাজীর প্রথম অনলাইন পএিকা
Shadow

সোনাগাজীতে বৃদ্ধের মৃত্যু নিয়ে বগাদানার চেয়ারম্যান খোকনের বিরুদ্ধে অপপ্রচারের অভিযোগ

বিশেষ প্রতিনিধি>>
সোনাগাজী উপজেলার বগাদানা ইউনিয়নের বাদুরিয়া গ্রামের আলেকী বাপের বাড়ির আবু তাহের (৬০) নামে এক বৃদ্ধের স্ট্রোক করে মৃত্যুর ঘটনায় ইউপি চেয়ারম্যান কখম ইসহাক খোকনের বিরুদ্ধে একটি কুচক্রী মহল অপপ্রচার চালাচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন বৃদ্ধের শালা মো. বাচ্চু মিয়া ও ইউপি চেয়ারম্যান খোকন।
চেয়ারম্যান ইছহাক খোকন বলেন, আবু তাহেরের প্রবাসী ছেলে এক নারীকে বিয়ে করেন। তিনি প্রবাসে থাকা অবস্থায় ওই নারীর অন্যত্র বিয়ে হয়ে যায় । কিছু দিন পর ওই প্রবাসী দেশে ফিরলে তাকে আবার বিয়ে করাতে হবে বলে চেয়ারম্যানের নিকট মৌখিক অনুরোধ করেন প্রবাসী ছেলের পরিবার। তাদের উভয় পক্ষের সম্মতিতে উভয় পক্ষের সালিশদারগণ বিষয়টি সমাধান করে দেন। গত বৃহস্পতিবার সালিশের রায়ে দুই পক্ষই খুশি হন। সালিশি বৈঠকে বৃদ্ধ উপস্থিতও ছিলেননা। ২৭ নভেম্বর বৃদ্ধ আবু তাহেরের মৃত্যুর সংবাদ শুনে চেয়ারম্যান তার বাড়িতে ছুটে যান। চেয়ারম্যান খোকন আরো বলেন, আবু তাহের একজন সম্মানীত ও বৃদ্ধ মানুষ। তাঁকে হুমকি বা ধমকানোর কোন প্রশ্নই আসে না। তার পরিবারের সদস্য ও স্থানীয় সাংবাদিকদের মিথ্যা তথ্য দিয়ে একটি কুচক্রি মহল আগামী নির্বাচনকে সামনে রেখে ঘোলা পানিতে মাছ শিকারের চেষ্টা করছে। ইতোমধ্যে বৃদ্ধের পরিবারের সদস্যরাও তাদের ভুল বুঝতে পেরেছে। বিভিন্ন ফেইসবুকে চেয়ারম্যানের ধমকে বৃদ্ধের মৃত্যু সম্পর্কে গুজবে কান না দিতে তিনি সকলের প্রতি আহ্বান জানান।

এদিকে বৃদ্ধের শ্যালক বলেন, আমার দুলাভাইয়ের মৃত্যুর সাথে চেয়াম্যানের ধমকের বিন্দুমাত্র সম্পর্ক নাই। তিনি জানান, আমার ভাগিনা আবু ইউসূফের স্ত্রী আইরিনের সাথে ছাড়াছাড়ি হয়ে যায়। এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গসহ স্ত্রীর কাবিন নিয়ে ইউনিয়ন চেয়ারম্যান কার্যালয়ে বৈঠকে ২ লাখ টাকা দেয়ার কথা হয়। এসময় ছেলের পক্ষে সমাজ কমিটির সাধারন সম্পাদক নুর নবী, আওয়ামীলীগ নেতা জসিম উদ্দিন, এবং মেয়ের পক্ষে ছিলেন সাহাব উদ্দিন মেম্বার, যুবলীগ নেতা মিজানুর রহমান ও তার পিতা ওমর ফারুক উপস্থিত ছিলেন। সেখানে চেয়ারম্যান কাউকে ধমক দেয়নি। এটা একটা বিভ্রান্তিকর কথা ও অপপ্রচার। তিনি আরো বলেন, আমার দুলাভাইয়ের মৃত্যু একটি স্বাভাবিক মৃত্যু। তার মৃত্যু নিয়ে আমাদের পরিবারের সদস্যদের কারো প্রতি কোন অভিযোগ নাই। কেউ যদি এই স্বাভাবিক মৃত্যু নিয়ে কোন অসৎ উদ্দেশ্যে হাসিলের জন্য চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালায় তার দায় দায়ীত্ব তাদের উপর বর্তাবে। আমি মনে করি, আগামী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে তার বিরুদ্ধে আপপ্রচার চালাচ্ছে, আমিও রাজনীতি করি। এসব অপপ্রচারমূলক রাজনীতি সকল রহস্য আমরা জানি। চেয়ারম্যান একজন সম্মানী মানুষ। মৃত্যু নিয়ে রাজনীতি যারা করছে, তাদের প্রতিও আমাদের অনুরোধ দয়া করে মৃত ব্যক্তির আত্মাকে কষ্ট দিবেননা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *