Tuesday, January 13সোনাগাজীর প্রথম অনলাইন পএিকা
Shadow

জামায়াত নয়া আমির মকবুলের যুদ্ধাপরাধের তথ্য অনুসন্ধানে ফেনীতে তদন্ত দল

 

 

নভেম্বর ০৮ , ২০১৬

নিজস্ব প্রতিবেদক:-জামায়াতে ইসলামীর নতুন আমির মকবুল আহমাদের ‘যুদ্ধাপরাধের তথ্য অনুসন্ধানে’ আন্তর্জাতিক যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনালের তদন্ত দল ফেনী পৌঁছেছে। সোমবার বিকালে আন্তর্জাতিক যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনালের সহকারী পরিচালক নুরুল ইসলামের নেতৃত্বে একটি তদন্ত দল ঢাকা থেকে ফেনী যায়।

পরে সন্ধ্যায় জামায়াতের আমির মকবুল আহমাদের বিরুদ্ধে ১৯৭১ এর যুদ্ধাপরাধের তথ্য-উপাত্ত অনুসন্ধানে ফেনী সার্কিট হাউজে তিনি (নুরুল ইসলাম) জেলার মুক্তিযোদ্ধা সংসদের কর্মকর্তাদের কথা বলেন। ফেনী জেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার মীর আবদুল হান্নান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, মঙ্গলবার সকাল থেকে তদন্ত দল অনুসন্ধানের কাজ শুরু করবে। তদন্ত দল জেলার দাগনভূঁঞা উপজেলার জয়লস্কর ইউনিয়নের লালপুর গ্রামের মকবুল আহমাদের নির্দেশে হিন্দুপাড়ায় আগুন দিয়ে ১০ জনকে হত্যার ঘটনাস্থল ও একই এলাকার খুশিপুর গ্রামের আহসানউল্লাহ নামে অন্য এক মুক্তিযোদ্ধাকে হত্যার তথ্য, উপাত্ত সংগ্রহ ছাড়াও শহীদদের পরিবার ও প্রতক্ষ্যদর্শীদের সঙ্গে কথা বলবেন।

জেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার মীর আবদুল হান্নান বলেন, ‘মকবুল আহমাদের নির্দেশে ফেনীর স্থানীয় রাজাকার, আলবদর বাহিনীর সদস্যরা ফেনী কলেজ ছাত্র সংসদের সাবেক ভিপি, তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান ছাত্র ইউনিয়ন নেতা মুক্তিযোদ্ধা মাওলানা ওয়াজ উদ্দিনকে চট্টগ্রামে নিয়ে নির্মমভাবে হত্যা করে। একইভাবে জেলার সর্বত্র মানবতাবিরোধী অপরাধ করে।’

দাগনভূঁঞা উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার শরিয়ত উল্যাহ বাঙ্গালি এই তদন্ত দলের এই অনুসন্ধানের যাওয়ায় সন্তোষ প্রকাশ করে।

তিনি আরও বলেন, ‘মকবুল আহমাদের নির্দেশে রাজাকার মোশাররফ হোসেন মশা দাগনভূঁঞা উপজেলার খুশিপুর গ্রামের আহসান উল্লাহ নামে অন্য এক মুক্তিযোদ্ধাকে হত্যা করে। রাজাকার মশা এখনও জীবিত আছে। তার বাড়ি একই উপজেলার সাফুয়া গ্রামে।’ এছাড়া মকবুলের নির্দেশেই দাগনভূঁঞা উপজেলার জয়লস্কর ইউনিয়নের লালপুর গ্রামের হিন্দুপাড়ায় আগুন দিয়ে ১০ জনকে হত্যা করা হয়। এসব পরিবারের স্বজনেরা এই অমানবিক হত্যাকাণ্ডের সাক্ষি হয়ে আছে বলেও জানান তিনি।

উল্লেখ্য, জামায়াতে ইসলামীর আমির হিসাবে শপথ নেওয়ার পর ‘জামায়াতের নতুন আমির: ৭১-এর রাজাকার-কমান্ডার, আছে হত্যার অভিযোগও’ বাংলা ট্রিবিউনে সংবাদ প্রকাশ করে। এর পরপরই মকবুল আহমাদের ‘যুদ্ধাপরাধ’ অনুসন্ধানের উদ্যোগ নেয় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।সুত্র- বাংলা ট্রিবিউন

2 Comments

  • Mohammad Tubular Amin

    যে মানুষটি দীর্ঘ প্রায় ৬০বছর অত্যান্ত সুনামের সাথে রাজনীতি করে আসচ্ছেন, যার বিরুদ্বে মানবতাবিরুধী কোন অভিযোগ ছিলনা, আর আজ জামায়াতে ইসলামীর আমীর নির্বাচির হওয়ার পর বুঝি হয়েগেল রাজাকার প্রধান? আপনাদের ভেল্কিবাজি এই দেশের বুঝে ফেলেছে, এমন ভূয়া অনুসন্ধান বাংলার জনগণ মানেনা এবং মানবেনা, অনতিবিলম্বে অবৈধ ট্রাইব্যুনাল বাতিল করে নির্দোষ জামায়াতে ইসলামীর নেতৃবৃন্দদের নিঃশর্তে মুক্তি দিন, দিতে হবে, অন্যথায় বাংলার জনগণ আপনাদের ঝাড়ুপিঠা করে ছাড়বে, ইনশা-আল্লাহ।

  • নাম বলে লাভ কী?

    এতদিন সে ফেরেস্তা ছিল, যেই না সে জামাতের আমীর হোল অমনি তোদের মতো দালাল মিডিয়া তার পিছনে শিক্ষা! এই করে আর কতদিন চলবিরে শালারা!!!!

Leave a Reply to Mohammad Tubular Amin Cancel reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *